শূন্যরেখায় পাঁচ দিন
বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকের পর শিশুসহ একই পরিবারের চার সদস্যকে শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার করা হয়। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের শিকার একই পরিবারের চার বাংলাদেশিকে পাঁচদিন পর শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার করেছে বিজিবি।
বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে অনুষ্ঠিত পতাকা বৈঠকের পর মানবিক কারণে শিশুসহ পরিবারের চার সদস্যকে শূন্যরেখা থেকে সরিয়ে থানায় হস্তান্তর করা হয়।
এরপর পরিচয় যাচাই শেষে তাদের স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয় বলেও জানিয়েছে সূত্র।
তবে এখনও আরও পাঁচজন শূন্যরেখায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কাওসার আলী বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
উদ্ধার হওয়া চারজন হলেন বেলাল হোসেন, তার স্ত্রী সুমি আক্তার এবং তাদের দুই শিশু সন্তান।
গত ১৪ জুন বিএসএফ কয়েকজন বাংলাদেশিকে সীমান্ত দিয়ে পুশইনের চেষ্টা করলে বিজিবির বাধায় তারা শূন্যরেখায় আটকা পড়েন।
সব মিলিয়ে নারী-শিশুসহ ৯ জন খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছিলেন।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, দুই শিশুর অসুস্থতা ও মানবিক সংকটের বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।
এরপর বিজিবি-বিএসএফের যৌথ মেডিক্যাল টিম চিকিৎসা প্রদান করে এবং পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে চারজনকে উদ্ধার করা হয়।
তবে বাকি পাঁচজন এখনো সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন।
দ্রুত তাদের উদ্ধারে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।