সাতক্ষীরা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ জুন ২০২৬ ১৫:৩০ পিএম
আপডেট : ১৬ জুন ২০২৬ ১৯:৪৯ পিএম
সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে নারী খেলোয়াড়দের অনুষ্ঠিত মানববন্ধন। ছবি : প্রতিদিনের বাংলাদেশ
দুর্নীতি, অনিয়ম ও খেলোয়াড়দের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমানের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন করেছেন জেলার নারী খেলোয়াড়রা। মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুর ১২টার দিকে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে জেলার বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের নারী খেলোয়াড়দের পাশাপাশি কয়েকজন পুরুষ খেলোয়াড়ও সংহতি প্রকাশ করে অংশ নেন।
মানববন্ধনে
বক্তব্য দেন ক্রীড়া সংগঠক ও জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার প্রান্তি–এর বাবা খন্দকার আরিফ হাসান প্রিন্স, খেলোয়াড় উম্মে ফাতেমা উর্মি,
সোহেলী আক্তার শামীমা, সালমা খাতুন, নদী বিশ্বাস ও মেহেদী রাজু প্রমুখ।
বক্তারা
অভিযোগ করেন, জেলা ক্রীড়া অফিস থেকে খেলোয়াড়দের প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সরঞ্জাম, জার্সি ও
অনুদান সঠিকভাবে বিতরণ করা হয় না। প্রকৃত খেলোয়াড়দের বাদ দিয়ে অফিস স্টাফ বা খেলাধুলার
সঙ্গে সম্পৃক্ত নন—এমন ব্যক্তিদের নামে অনুদান দেওয়া হচ্ছে।
নারী
খেলোয়াড়রা বলেন, দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে এসে বাসা ভাড়া নিয়ে অনুশীলন করলেও তারা জেলা
ক্রীড়া অফিস থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাচ্ছেন না। বরং বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার
হতে হচ্ছে।
অভিযোগের
বিষয়ে জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান বলেন, জেলা থেকে জাতীয় ক্রীড়াসেবী
কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া শিক্ষা বৃত্তির জন্য ১১৪ জন আবেদন করেছিলেন।
জেলা প্রশাসকের উপস্থিতিতে জেলা কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই শেষে ৯৮ জনের তালিকা কল্যাণ ফাউন্ডেশনে পাঠানো হয়। পরে জাতীয় কমিটি পুনরায় যাচাই-বাছাই করে ৪৩
জনকে ভাতার জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করেছে।
তিনি
আরও বলেন, আমার কাছে মনে হয়েছে, ভাতা না পাওয়ার ক্ষোভ থেকেই কিছু খেলোয়াড় আমার বিরুদ্ধে
মানববন্ধন করেছে। তবে এখানে ব্যক্তিগতভাবে আমার কিছু করার ছিল না, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
নিয়েছে জাতীয় কমিটি।
///