× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

পিরোজপুরে শ্বশুরবাড়ি থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৬ জুন ২০২৬ ১৫:১১ পিএম

আপডেট : ১৬ জুন ২০২৬ ১৫:৪৫ পিএম

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় শ্বশুরবাড়ি থেকে শাহাদাৎ হোসেন বাপ্পি (২৭) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার কানুয়া (৮নং ওয়ার্ড) এলাকায় তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত বাপ্পি উপজেলার ১ নং ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর শিয়ালকাঠী গ্রামের শহিদ হাওলাদারের ছেলে।

ভাণ্ডারিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রত্নেশ্বর কুমার মণ্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পরিবারের সদস্যদের বরাতে তিনি জানান, নিহত বাপ্পির স্ত্রী হাফিজা আক্তার মীম গার্মেন্টসের কাজের জন্য জর্ডানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু স্বামী বাপ্পি ও তার পরিবার এতে রাজি ছিলেন না। এই পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে মীম কিছুদিন আগে তার বাবার বাড়িতে চলে আসেন।

পরিবারের দাবি, গত ১১ জুন বাপ্পিকে না জানিয়ে পুনরায় ঢাকায় একটি হোটেলে অবস্থান নেন মীম। ওই সময় বাপ্পি মোবাইল ফোনে স্ত্রীর সাথে রাগারাগি করেন। একপর্যায়ে ভিডিও কল দিলে মীম যে হোটেল রুমে ছিলেন, সেখানে এক পুরুষকে দেখতে পান বাপ্পি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার দ্বন্দ্ব চরম পর্যায়ে পৌঁছায়।

পরবর্তীতে মীম মোবাইল ফোনে বাপ্পিকে রবিবার কানুয়ায় তার বাবার বাড়িতে ডেকে নেন।

হাফিজা আক্তার মীম জানান, সোমবার রাতে খাবার শেষে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরপর রাত ১টার দিকে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ২টার দিকে মীমের ঘুম ভাঙলে তিনি বাপ্পিকে খাটে না পেয়ে খুঁজতে শুরু করেন। একপর্যায়ে ঘরের আড়ার সাথে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় বাপ্পিকে ঝুলতে দেখেন।

মীমের দাবি, তিনি একাই ওড়না কেটে বাপ্পির দেহ নিচে নামিয়ে খাটে রাখেন এবং পরে বাপ্পির পরিবারকে খবর দেন।

তবে বাপ্পির মা রুবী বেগম এই ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমার ছেলেকে হত্যা করে এখন গলায় ফাঁসের নাটক সাজানো হচ্ছে। পুত্রবধূ মীম উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপন করত এবং একাধিক পুরুষের সাথে তার সম্পর্ক রয়েছে। ঘটনার দুই দিন আগেও সে ঢাকায় অন্য পুরুষের সাথে হোটেলে ছিল, যা আমার ছেলে ভিডিও কলে দেখে ফেলে। এই ক্ষোভ থেকেই তারা আমার ছেলেকে মেরে ফেলেছে”।

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে বাপ্পির মা রুবী বেগম মীমদের বাড়িতে এসে আহাজারি শুরু করলে একপর্যায়ে মীমের চাচাতো ভাই বেল্লাল হাওলাদার তাকে বাঁশ দিয়ে মারধর করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

ভাণ্ডারিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রত্নেশ্বর কুমার মণ্ডল বলেন, “মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে প্রেরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশি তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে”।

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা