গোপালগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১ ঘণ্টা আগে
গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের আইসিইউ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেষে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এমপি ডা. কেএম বাবর। প্রবা ফটো
‘এই আইসিইউটা ২০২০ সালে কোভিডের সময় সমস্ত যন্ত্রপাতি সেট করা। প্রতিটি বেড রেডি, ভেন্টিলেশন, মনিটরসহ সমস্ত যন্ত্রপাতি আছে। কিন্তু এখানে যে ভেন্টিলেটরগুলো দিয়েছে তা একদম কম দামি, সস্তাÑ যা শুরু করার আগেই নষ্ট হয়ে গিয়েছে।
এখন চালু করতে গিয়ে দেখলাম ১০টি ভেন্টিলেটর মেশিনের মধ্যে ৯টিই নষ্ট। এটা যখন করা হয়েছে তখন এটা সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জেলা, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আসন। তাহলে ২০২০ সালে কেন এটি চালু হয়নি।’
গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ ১০ জেলায় রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে ১০ শয্যাবিশিষ্ট নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেষে এভাবেই নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন গোপালগঞ্জ-২ আসনের এমপি ডা. কেএম বাবর।
তিনি আরও বলেন, এই সরকারের বয়স সাড়ে ৩ মাস হয়নি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে আজ সারা বাংলাদেশে ১০টি জেলায় এই আইসিইউ উদ্বোধন হয়েছে, তার মধ্যে গোপালগঞ্জ একটি। ২০২০ সালে যারা এই সব ভুয়া যন্ত্রপাতি সরবরাহ করেছে বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মাধ্যমে আমরা তাদের বিচার চাই। গোপালগঞ্জবাসী এই ৬ বছর কেন এই সেবা থেকে বঞ্ছিত হলো।
গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজের সাবেক পিডি ও গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের সাবেক সহকারী পরিচালক ডা. অসিত মল্লিকের নাম উল্লেখ করে এমপি বলেন, ডা. অসিত মল্লিক গোপালগঞ্জ মেডিকেলসহ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি লুটপাট করেছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এই দুটি প্রতিষ্ঠানের লুটপাটের সঙ্গে জড়িতদের নাম বেরিয়ে আসবে।
এ বিষয়ে জানতে ডা. অসিত মল্লিককে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করলে তিনি রিসিভ করেননি।