পটুয়াখালী প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ২ ঘণ্টা আগে
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের লেম্বুর চর সংলগ্ন বনাঞ্চল থেকে এস্কাভেটর দিয়ে অবৈধভাবে বালু কাটার অপরাধে এক ব্যক্তিকে কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রম্যমাণ আদালত। প্রবা ফটো
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের লেম্বুর চর সংলগ্ন বনাঞ্চল থেকে এস্কাভেটর (ভেকু মেশিন) দিয়ে অবৈধভাবে বালু কাটার অপরাধে মহিবুল্লাহ নামে এক ব্যক্তিকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত একটি এস্কাভেটর (ভেকু মেশিন) জব্দ করা হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেকের নেতৃত্বে শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় বন বিভাগের মহিপুর রেঞ্জের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তত্ত্বাবধানে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে লেম্বুর বন পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ সড়ক পাকাকরণের কাজ চলছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দাবি, মাঝিবাড়ি থেকে লেম্বুর বন পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার অংশের কাজ বালুর সংকটে বন্ধ ছিল।
অভিযোগ রয়েছে, কম মূল্যে বালু সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজটির একটি অংশ সাব-কন্ট্রাক্ট দেয় মহিপুর এক ব্যাক্তিকে। তার নেতৃত্বে গত কয়েকদিন ধরে লেম্বুর বন এলাকা থেকে ভেকু মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে সড়ক নির্মাণকাজে ব্যবহার করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সমুদ্র সৈকত ও বনাঞ্চল থেকে বালু উত্তোলন আইনত নিষিদ্ধ হলেও প্রভাবশালীদের সংশ্লিষ্টতায় এ কার্যক্রম চলছিল। তবে নির্দেশদাতারা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকলেও ঘটনাস্থলে থাকা এক শ্রমিককে কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদেক বলেন, জেলা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া সমুদ্র সৈকত ও বনাঞ্চল থেকে বালু বা মাটি কাটা দন্ডনীয় অপরাধ। কুয়াকাটার লেম্বুর বন এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে একজনকে কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।