শেরপুর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১ ঘণ্টা আগে
নিহত আল মুহতাছিম সাইব। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
শেরপুরে তুচ্ছ ঘটনার জেরে সংঘবদ্ধ কিশোরদের হামলায় আহত আল মুহতাছিম সাইব (১৭) নামে এক শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিহত হয়েছেন। নিহত সাইব শেরপুর সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন।
শেরপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা মঙ্গলবার দুপুরে এ সব তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে, সোমবার দুপুরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত সাইব শেরপুর পৌর এলাকার দমদমা কালিগঞ্জ মহল্লার বাসিন্দা। সাইবের বাবা আব্দুল মালেক শ্রীবরদীতে একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন।
মামলা বরাতে জানা যায়, ২৯ মে বিকেল ৪টার দিকে শেরপুরের তাতালপুর বিএম রোড এলাকায় গাছের ছায়ার নীচে দাঁড়িয়ে ছিলেন সাইব। এ সময় নাঈম মিয়া (১৯), পাপ্পু (২০) স্বপন (২১) ও আরমান (২০) একই স্থানে দাঁড়িয়ে ছবি তুলবে বলে সাইবকে সরে যেতে বলে। সাইব সরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে কথা কাটাকাটি এবং একপর্যায়ে তাকে মারধর করে।
একপর্যায়ে মোবাইল ফোনে আরও ১০-১৫ জনকে ডেকে এনে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সাইফকে মারধর ও রাস্তার পাশে জমে থাকা ফসলি জমির পানিতে চুবিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। এ সময় সাইব চিৎকার করলে লোকজন ছুটে আসে। তখন হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
পরে সাইবকে প্রথমে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতাল ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কয়েকদিন লাইফসাপোর্টে থাকার পর সোমবার দুপুরে মারা যায়।
এদিকে মারধরের ঘটনায় ৬ জুন ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার মামলা করেন সাইফের মা রেবেকা সুলতানা।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভুঁইয়া জানান, মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়েছে। আশা করি দ্রুতই আসামিদের গ্রেপ্তার করা হবে।