জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ৪৯ মিনিট আগে
জলঢাকায় গ্রাম আদালত সক্রিয়করণে বার্ষিক ক্যাম্পেইন। প্রবা ফটো
জলঢাকায় ‘গ্রাম আদালত সক্রিয়করণে জনসচেতনতামূলক বার্ষিক ক্যাম্পেইন’ গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সহজ, দ্রুত ও স্বল্পখরচে বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নীলফামারীর জলঢাকায় এ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে
মঙ্গলবার (৯ জুন) এ ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌস হ্যাপি।
অনুষ্ঠানে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম,
এর সুফল এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ নিষ্পত্তিতের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন,
গ্রাম আদালত স্থানীয় পর্যায়ের ক্ষুদ্র দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ দ্রুত ও স্বল্প খরচে
নিষ্পত্তির একটি কার্যকর ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ দীর্ঘসূত্রিতা ও অতিরিক্ত
ব্যয় ছাড়াই সহজে ন্যায়বিচার পেতে পারেন। তাই গ্রাম আদালতের সেবা সম্পর্কে জনগণের মধ্যে
সচেতনতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি।
ক্যাম্পেইনে বালাগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের
শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি সচেতনতামূলক র্যালি বের করা হয়। একই সঙ্গে কুইজ প্রতিযোগিতার
মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা
কর্মকর্তা কামরুজ্জামান, উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার মোছা. মাফরুহা আক্তার,
উপ-প্রশাসনিক কর্মকর্তা হরিপদ রায়, বালাগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান কহিনুর
বেগম, বালাগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আসাদুজ্জামান সুমন চৌধুরী ও আবুবক্কর
সিদ্দিক, বালাগ্রাম ইউসি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বঙ্কিম চন্দ্র রায়,
ইউপি সদস্য মোসলেম উদ্দিনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী
এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
“বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ
(৩য় পর্যায়)” প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় সরকার বিভাগের উদ্যোগে এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী
উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। এতে ইউরোপীয়
ইউনিয়ন (ইইউ) ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) সহযোগিতা প্রদান করছে।
আয়োজকরা জানান, “অল্পসময়ে, স্বল্পখরচে
সঠিক বিচার পেতে চলে যাই গ্রাম আদালতে”-
এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জনগণকে গ্রাম আদালতমুখী করতে এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম
ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।