চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
জানালার গ্রিল কেটে ঘরে ঢোকে ডাকাতরা। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরি উপজেলায় এক প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় প্রবাসীর স্ত্রী ও তার দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
উপজেলার পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের সিকদারপাড়া ডলনিরঘোনা এলাকায় সোমবার দিনগত রাত আড়াইটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। মঙ্গলবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে ৬ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আটকরা হলেন- রেজাউল, মেহেদী, বাবু, কেফায়েত ও তানজিদ। তারা সবাই পূর্ব বড়ভেওলা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৮ থেকে ১০ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাতদল বাড়ির জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা নগদ টাকা, স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে ওই বাড়িতে অবস্থানরত প্রবাসীর স্ত্রী ও তার মেয়েকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় ডাকাত দল।
পরে মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে প্রথমে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
খবর পেয়ে চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাশসহ থানা পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর মামা জানান, তার বোন ও বোনেরে স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে পাশবিক অত্যাচার করেছে ডাকাত দল। বর্তমানে তার ভাগ্নির অবস্থা আশঙ্কাজনক। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে চিকিৎসকরা নিবিড় পর্যবেক্ষণে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা দিচ্ছেন।
মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মো. মাসুদ ডাকাতি ও মা-মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনির হোসেন এ ঘটনায় ৬ জনকে আটকের তথ্য নিশ্চিত করেছেন এবং অধিকতর তদন্ত চলমান।