বাগমারা (রাজশাহী) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ১ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীর বাগমারা থানার ওসি কমলেশ দাস। প্রবা ফটো
রাজশাহীর বাগমারা থানার ওসি (তদন্ত) কমলেশ দাসের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে অর্থ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক মাধ্যমে অর্থ গ্রহণের একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজশাহী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (৭ জুন) সন্ধ্যার পর ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, থানায় তার নির্ধারিত কক্ষে টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক ব্যক্তি ওসি (তদন্ত) কমলেশ দাসের হাতে এক হাজার টাকার নোটের একটি ছোট বান্ডিল তুলে দেন। এরপর তিনি ঘুষদাতার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসি দেন এবং টেবিলের নিচে হাত নিয়ে টাকাগুলো গুনতে থাকেন। পরে নিজের মানিব্যাগ বের করে সেই টাকা সেখানে রেখে দেন।
অভিযোগ রয়েছে, পুকুর খনন ও মাটি বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের কাছ থেকে নিয়মিত অর্থ নেওয়া হতো। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলমান পুকুর খনন কার্যক্রমে বিঘাপ্রতি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা আদায় করা হতো।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি (তদন্ত) কমলেশ দাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘ভিডিওটি কেউ গোপনে ধারণ করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রচার করেছে। বিষয়টি আমার স্পষ্ট মনে নেই। এটি মেসের খাবারের খরচ বাবদ টাকা হতে পারে, যা ম্যানেজার দিয়ে থাকবেন।’
বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিল্লুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মোবাইল ফোনে জানান, আমি থানার বাইরে আছি, সবার দেখা বিষয় নিয়ে মন্তব্য করে আর কী লাভ?
রাজশাহী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ওসি (তদন্ত) কমলেশ দাসকে ক্লোজ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।