প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
প্রতীকী ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
দেশের বিভিন্ন স্থানে পৃথক ঘটনায় প্রতিপক্ষের হামলায় রবিবার (৭ জুন) ছেলের গুলিতে বাবা, মানসিক প্রতিবন্ধী, যুবকসহ ৪ জন নিহত হয়েছেন। কক্সবাজার, ফেনী, সুনামগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জে এই নিহতের ঘটনা ঘটে। প্রতিবেদকদের পাঠানো খবরÑ
রামু (কক্সবাজার) : কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নে পারিবারিক বিরোধের জেরে ছেলের গুলিতে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক বৃদ্ধ বারা মারা গেছেন। নিহত ব্যক্তি হলেন খুনিয়াপালং ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব ধেচুয়াপালং তেলখোলা এলাকার মৃত আমিন মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো. আয়াছ (৬৫)। অভিযুক্ত তার আপন বড় ছেলে জুবায়ের। যাকে স্থানীয়রা ইয়াবা কারবারের সঙ্গে জড়িত বলে দাবি করেছেন। জানা যায়, গত ৫ জুন শুক্রবার রাত ১১টার দিকে নিজ বাড়িতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে জুবায়ের তার বাবাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে আয়াছ গুরুতর আহত হন। গতকাল চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ২টার দিকে তিনি মারা যান।
ফেনী : বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে মারধরের শিকার হওয়া জসিম উদ্দিন (৩০) নামে এক ব্যক্তি মারা গেছেন। রবিবার ভোরে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত জসিম উদ্দিন সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার রনকেলী গ্রামের মৃত তমছির আলীর ছেলে। জসিম মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ।
সুনামগঞ্জ : সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় পূর্ব বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের মারধরের ঘটনায় নাসিম আহমেদ (৩০) নামে এক যুবক মারা গেছেন। গতকাল সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের কারি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নাসিম আহমেদ ওই ইউনিয়নের সুনই গ্রামের মৃত মঞ্জুরুল হকের ছেলে। ধর্মপাশা থানার ওসি মোহাম্মদ সহিদ উল্ল্যা বলেন, এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হওয়ার চার দিন পর রবিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় জোবায়ের (১৮) নামে এক যুবক মারা গেছেন। নিহত জোবায়ের পাবনা সদর উপজেলার রাজাপুর এলাকার জাহাঙ্গীরের ছেলে। তিনি বন্দর উপজেলার এনায়েতনগর এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে জোবায়েরের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বন্দর থানার সেকেন্ড অফিসার মনির হোসেন জানান, ঘটনার পর থেকেই পুলিশ জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং ছিনতাইকৃত মালামাল উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।