মেহেরপুর প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ১ ঘণ্টা আগে
পুশ-ইন ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে বিজিবি। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
মেহেরপুরের তেঁতুলবাড়ীয়া সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক পুশ-ইনের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর সীমান্তে অবস্থান নেওয়া ৬ জনের হদিস মিলছে না।
তেঁতুলবাড়িয়া সীমান্তের ১৪০/৫ এস আন্তর্জাতিক পিলারের কাছে শনিবার মধ্যরাতে পুশইনের চেষ্টা করলে বিজিবি ও গ্রামবাসীর প্রতিরোধে সেটি আর সম্ভব হয়নি।
ঘটনার পর সেই ৬ জন কাঁটাতারের বেড়ার পাশের শূন্যরেখা এলাকায় অবস্থান করলেও ভোর থেকে তাদের আর দেখা যায়নি। তারা ভারতীয় ভূখণ্ডে ফিরে গেছে নাকি বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
৪৭ বিজিবি কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক নুরুল হুদা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা বলছেন, শনিবার ভোরে তেঁতুলবাড়ীয়া সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবি ও স্থানীয় গ্রামবাসীর প্রতিরোধের মুখে সেই পুশ-ইন প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে দুই পরিবারের ওই ৬ সদস্য- ৩ জন পুরুষ, ২ জন নারী ও ১ জন শিশু কাঁটাতারের বেড়ার পাশে ভারতীয় ভূখণ্ডে অবস্থান নেয়।
সারাদিন সীমান্ত এলাকার একটি পাটক্ষেতের পাশে অবস্থান করা এসব মানুষের জন্য বিজিবি ও স্থানীয় গ্রামবাসীরা শুকনো খাবার ও পানি সরবরাহ করে। তবে বিএসএফের পক্ষ থেকে তাদের কোনো সহায়তা বা খোঁজখবর নেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সমাধান হয়নি। ফলে খোলা আকাশের নিচে সীমান্ত মাঠেই রাত কাটাতে বাধ্য হয় তারা।
স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিজিবির সঙ্গে গ্রামবাসীরাও সীমান্ত এলাকায় নজরদারিতে ছিলেন। তবে রাত প্রায় ৩টার দিকে দেখা যায়, ওই ৬ জন আর সেখানে নেই। এরপর থেকেই তাদের অবস্থান নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ধোঁয়াশা।
এ বিষয়ে ৪৭ বিজিবি কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক নুরুল হুদা বলেন, “রাত ৩টার পর থেকে তাদের আর সেখানে পাওয়া যাচ্ছে না। আমাদের ধারণা, বিএসএফ তাদেরকে পুনরায় ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়েছে”।
তবে এ বিষয়ে বিএসএফের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।