কাপ্তাই (রাঙামাটি) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ১ ঘণ্টা আগে
কাপ্তায় হ্রদে বাম পাশে ‘ব্রাজিল সেতু’ এবং ডান পাশে ‘আর্জেন্টিনা সেতু’
বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে ভৌগোলিক বিবরণে রাঙামাটি শহরের আসামবস্তি এলাকায় কাপ্তাই হ্রদের উপর শত মিটারেরও কম দূরত্বে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে এই সেতু দুটি।
ফুটবল প্রেমীদের আবেগের কারণে স্থানীয়দের কাছে এ দুটি ‘ব্রাজিল সেতু’ এবং ‘আর্জেন্টিনা সেতু’ নামে পরিচিতি পেয়েছে। তাই এই পাহাড়ি জনপদের ফুটবল সমর্থকদের উন্মাদনা ও ভালোবাসার এক অনন্য প্রতীকী মঞ্চ হয়ে উঠেছে এই সেতু দুটি। আর্জেন্টিনা সেতু মূল নাম ‘পুরানবস্তি-ঝুলিয়া সংযোগ সেতু’। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য এটিকে আকাশি-সাদা রঙে সাজানো হয়Ñ যা আর্জেন্টিনার পতাকার রঙের সাথে মিলে যাওয়ায় সমর্থকরা এটিকে ‘আর্জেন্টিনা সেতু’ নাম দেয়। আর ব্রাজিল সেতুটি ফুটবল বিশ্বকাপের সমর্থকরা হলুদ-সবুজ রঙে রাঙিয়ে তোলে এবং এর নাম হয়ে যায় ‘ব্রাজিল সেতু’।
ফুটবল বিশ্বকাপের সময় এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের সমর্থকরা
নিজ নিজ প্রিয় দলের পতাকার রঙে সেতু দুটি সাজিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করে। বর্তমানে
এটি পর্যটক এবং স্থানীয় ফুটবল প্রেমীদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
স্থানীয়রা জানান, বিশ্বকাপ এলেই এই এলাকা রূপ নেয় এক উৎসবমুখর জনপদে।
পতাকা টাঙানো, সেতু রং করা, ব্যানার ঝোলানো সব মিলিয়ে শুরু হয় এক ভিন্নধর্মী আয়োজন।
সন্ধ্যা নামলেই দুই সেতুতে জমে ওঠে আড্ডা, তর্ক, ভবিষ্যদ্বাণী আর ফুটবল নিয়ে আবেগঘন
আলোচনা।
অন্যদিকে ব্রাজিল সমর্থকদের প্রত্যাশা ঘুরে দাঁড়ানোর। ২০০২ সালের
পর থেকে বিশ্বকাপে শিরোপার দেখা না মিললেও এবার নতুন আশায় বুক বাঁধছেন তারা।
বর্ষা মৌসুম না থাকায় কাপ্তাই হ্রদের পানি কমে যাওয়ায় সেতুর পরিবেশ এখন আরও উন্মুক্ত।
তবে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ছে দিন দিন। বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত জমে উঠছে দুই সেতুর ফুটবল
আড্ডা।