রংপুর অফিস
প্রকাশ : ৩ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ৩ ঘণ্টা আগে
রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে দালালবিরোধী অভিযানে ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ। এরা হলোÑ রানা মিয়া, রাজু মিয়া, বিপ্লব মিয়া, মারুফ হোসেন, ওমেদ আলী, ফরহাদ হোসেন ও আরাফাত হোসেন আপেল।
রমেক হাসপাতালে আসা রোগী ও সেবাগ্রহীতাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিতে শনিবার (৬ জুন) দুপুরে এ অভিযান চালায় মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। বিকালে পুলিশের মিডিয়াসেল থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
এতে জানানো হয়, অসাধু চক্রের সদস্যরা হাসপাতালের আশপাশে অবস্থান করে রোগী ও তাদের স্বজনদের বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে অতিরিক্ত ভাড়ায় অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া নিতে বাধ্য করে আসছিল এমন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রমেক হাসপাতাল এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়। এ সময় রোগী ও তাদের স্বজনদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং নির্দিষ্ট অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস নিতে বাধ্য করার অভিযোগে ৭ জনকে আটক করা হয়।
আরপিএমপি কমিশনার আবদুল মাবুদ বলেন, আটক হওয়া ব্যক্তিরা হাসপাতালে আসা সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে আসছিল। তাদের কারণে চিকিৎসাসেবা গ্রহণেও অনেকই নানা ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে অবৈধ সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
এদিকে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে রোগী হয়রানি ও অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগেহ দালাল চক্রের সদস্য আকতার হোসেনকে ধরে ড্রেনের ময়লা পরিস্কার করিয়ে নিয়েছে ছাত্রদল। শুক্রবার রাতে ড্রেন থেকে হাত দিয়ে ময়লা তুলে পরিস্কার করার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
রংপুর মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল সভাপতি মামুন ইসলাম জানান, বকশিস না দেয়ার কারণে রোগী বহনের ট্রলি সময়মত না আনায় এক রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠে। বিষয়টি জানার পর আমরা তাৎক্ষনিক হাসপাতালে গিয়ে সেই দালালকে আটক করি। এরপর তাকে শাস্তি স্বরুপ হাসপাতালের ময়লা ড্রেন পরিস্কার করিয়ে নেই। এমন শাস্তির মাধ্যমে হাসপাতালে দালাল সিন্ডিকেট কমবে বলে মনে করছি।
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান জানান, জরুরি বিভাগে রাতের বেলায় ট্রলি নিয়ে সিন্ডিকেট তৈরি করে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি, কিন্ত জনবল সংকটের কারনে এটা বন্ধ সম্ভব হচ্ছে না। তবে আমাদের চেষ্টার ত্রুটি নেই।