ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৫ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ৫ ঘণ্টা আগে
ধর্মপাশায় কৃষি কার্ড বিতরণে অনিয়মের বিরুদ্ধে কৃষকদের বিক্ষোভ মিছিল। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
অতি বৃষ্টি আর উজান থেকে নামা পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জ জেলায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। একমাত্র ফসল হারিয়ে হাওর অঞ্চলের কৃষকরা দিশেহারা।
ফসলের উপর নির্ভর করে এই অঞ্চলের কৃষকদের সারা বছরের ভাগ্য।
ক্ষতিগ্রস্ত
কৃষকদের পাশে এসে দাঁড়ান বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ঘোষণা করেন
ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কৃষি কার্ড।
সুনামগন্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের প্রতিটা ওয়ার্ডে কৃষি কার্ডের তালিকা করা হয়। ধর্মপাশা কৃষি অফিস ও ওয়ার্ড মেম্বারা মিলে এটি সমন্বয় করেন।
তবে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের তালিকায় দেখা যায় ব্যাপক অনিয়ম। এই অনিয়ম ও স্বজন প্রীতির বিরুদ্ধে পাইকুরাটি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিক্ষোভ মিছিল করেন স্থানীয় কৃষকরা।
উপজেলার
পাইকুরাটি ইউনিয়নের ভাটগাও ৩ নং ওয়ার্ডের সড়কে শনিবার সকাল ১১ ঘটিকায় বিক্ষোভ
মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিল শেষে বন্যা ক্ষতিগ্রস্থ প্রকৃত কৃষকদের মধ্যে
বক্তব্য রাখেন ভাটগাও গ্রামের কৃষক মাসুক, আলেক মিযা, মাসুক তালুকদার, মো. দুলাল
মিয়া তালুকদার, মো. মৌলা মিয়া,আব্দুল হাসিম, বকুল মিয়া তালুকদার, মো. কাউছার
প্রমূখ।
বক্তারা
বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষি কার্ডের তালিকায় অনিয়ম
করেছেন ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। সে তার প্রভাব খাটিয়ে কৃষি কার্ড আত্নীয়করণ ও
টাকার বিনিময়ে তালিকায় নাম দিয়েছেন।
সাধারণ কৃষকরা আরও বলেন, ভাটগাও গ্রামে প্রায় আড়াই শত কৃষক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এর মধ্যে কার্ড পেয়েছে ৯জন। এর মধ্যে তিন জনের জমি নেই। এরা গার্মেন্স কর্মী । তাই এই অনিয়মের বিরুদ্বে প্রতিবাদ জানাই। প্রশাসনের সর্বোচ্চ মহলের সুবিচার প্রার্থনা করি। পাশা পাশি আমাদের হাওর বন্ধু সুনামগঞ্জ-১ এমপি সাহেবের দৃষ্টি কামনা করছি।
এ বিষযে পাইকুরাটি
ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন ইকবাল বলেন, “আমি কৃষি কার্ড বিষয়ে কিছু জানিনা।
কৃষি কার্ডের তালিকা করেছেন বিএনপি নেতারা। কৃষি অফিস ও স্ব স্ব ওয়ার্ডের মেম্বারা
মিলে।”