× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

১২ বছরে ‘কোটিপতি’ রনজিৎ হালদার

নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১৫ ঘণ্টা আগে

আপডেট : ১৫ ঘণ্টা আগে

নিজের বিরুদ্ধে আসা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রনজিৎ হালদার। ছবি: সংগৃহীত

নিজের বিরুদ্ধে আসা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রনজিৎ হালদার। ছবি: সংগৃহীত

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলা পরিষদের একজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ১২ বছরের চাকরিজীবনে কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযুক্ত রনজিৎ হালদার উপজেলা পরিষদের ১৪তম গ্রেডের সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে কর্মরত। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, চাকরির আয়ের সঙ্গে তার দৃশ্যমান সম্পদের কোনো মিল নেই, বরং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তার সম্পদের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও একাধিক ব্যক্তির দাবি, রনজিৎ হালদার নামে-বেনামে জমি কিনেছেন এবং বিভিন্ন সমবায় সমিতিতে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করেছেন। 

২০১২ সালে চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর সাত বছরের মধ্যে তিনি উপজেলা সদরের পুরাতন কোর্ট বিল্ডিং সংলগ্ন এলাকায় টিনশেডসহ প্রায় পাঁচ শতাংশ জমি কেনেন, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৬০ লাখ টাকা বলে স্থানীয়রা জানান।

এর পাশাপাশি তিনি নিজ গ্রামের সমবায় কর্মী বিধান ঘরামির কাছ থেকে দুই বিঘা পেয়ারা বাগান ও ১০ শতক বাড়ির জমি কিনেছেন বলে জানান স্থানীয়রা, যার বাজারমূল্য প্রায় ৪০ লাখ টাকা। 

২০২৪ সালে নাজিরপুর উপজেলার শ্রীরামকাঠি এলাকায় প্রায় সাড়ে ৪২ শতক জমি কেনার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

স্থানীয়দের দাবি, ওই জমির দাতা হিসেবে তার শ্যালিকার নাম ব্যবহার করা হয়েছে এবং প্রকৃত মালিকানা গোপন করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, জমিটি তার ভাগ্নের নামে নিবন্ধন করা হয়েছে এবং পারিবারিক সদস্যদের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন আড়াল করা হয়েছে। 

স্থানীয়দের দাবি, বিভিন্ন সমবায় সমিতিতে তার কয়েক কোটি টাকার বিনিয়োগ ছিল, যা পরে ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করা হয়েছে। এসব সম্পদের উৎস, আয়কর নথি এবং বৈধতা নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে।

অন্যদিকে, তার শ্যালিকা শিল্পী মিস্ত্রী দাবি করেন, জমি কেনার সময় তিনি রনজিৎ হালদারের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা ধার নেন এবং এর বিনিময়ে ব্ল্যাঙ্ক চেক ও স্বর্ণালঙ্কার বন্ধক রাখতে হয়। পরে কৌশলে তার জমি রণজিৎ নিজের নামে নিয়ে নিয়েছেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, এখন শুনছি রনজিৎ নাকি আমার স্বামীকে চল্লিশ লাখ টাকা ধার দিয়েছেন। এবং টাকা আদায়ে  আমার স্বামীর নামে মামলাও দিয়েছেন তিনি।

রনজিৎ হালদারের স্ত্রী পপি মিস্ত্রী বলেন, সংসারের বড় অংশের ব্যয় তিনি নিজেই বহন করেছেন। তার নামে ঋণ নিয়ে জমি কেনা হলেও পরে তা স্বামীর নামে নিবন্ধিত হয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, আর্থিকভাবে দুর্বল ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে সুদের বিনিময়ে টাকা দিয়ে পরে তাদের সম্পদ নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রনজিৎ হালদার। 

তিনি বলেন, চাকরির আগে থেকেই তিনি শেয়ার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সেখান থেকে অর্জিত অর্থ দিয়ে সম্পদ করেছেন। পাশাপাশি এনজিও থেকে ঋণ নিয়েও জমি কেনার কথা জানান তিনি। তার দাবি, সব সম্পদের বৈধ কাগজপত্র রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে তিনি তা কর্তৃপক্ষকে দেখাবেন।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা