বগুড়া অফিস
প্রকাশ : ৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া পৌরসভার সাবেক প্রশাসক রাজিয়া সুলতানা। প্রবা ফটো
বগুড়া পৌরসভার সাবেক প্রশাসক ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক (ডিডিএলজি) রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। চিঠিটি বুধবার (৩ জুন) জারি করা হয়।
অভিযোগ তদন্তে স্থানীয় সরকার বিভাগের আইন উপদেষ্টা (জেলা ও দায়রা জজ) এমএ সাঈদকে তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। তাকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিটি করপোরেশন-১ শাখার উপসচিব রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া শহরের কাটনারপাড়া এলাকার বাসিন্দা আলিমুদ্দিন হারুন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবের কাছে রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন।
অভিযোগে বলা হয়, বগুড়া পৌরসভার হাট-বাজার ইজারা প্রদানে অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হয়েছেন রাজিয়া সুলতানা। ইজারার অর্থ সরাসরি সরকারি কোষাগারে জমা না করেই হাট-বাজার ইজারা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন দরপত্র (টেন্ডার) প্রক্রিয়া এবং ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। পৌরসভার প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন অনিয়ম ও অপকর্মে জড়িত থাকার কথাও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
বগুড়া সিটি করপোরেশন ঘোষণার আগে রাজিয়া সুলতানা প্রায় ছয় মাস বগুড়া পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রাজিয়া সুলতানা বলেন, দায়িত্ব পালনকালে তিনি পৌরসভার অনেক অনিয়ম বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। বিশেষ করে দরপত্র ও নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে অনিয়ম করতে না দেওয়ায় একটি স্বার্থান্বেষী মহলের অসন্তোষ তৈরি হয়। এ কারণে অভিযোগ করা হয়ে থাকতে পারে। তদন্ত হলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে, সেটি আমার জন্যও ভালো।