নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
প্রকাশ : ৩ ঘণ্টা আগে
বরিশালের হিজলা উপজেলার হিজলা-গৌরব্দী ইউনিয়নের সাতটি গ্রাম মেঘনার ভয়াবহ নদী ভাঙন হুমকিতে রয়েছে।
ইতোমধ্যে কয়েক হাজার বাড়িঘর, হাটবাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হাজার হাজার একর ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। কিন্তু ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনো ধরনের পদক্ষেপ না নেওয়ায় বর্তমানের ভাঙনের তীব্রতা আরও ভয়াবহ আকারে দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) বেলা ১১টায় হিজলা উপজেলার হিজলা-গৌরব্দী ইউনিয়নের অরাকুল গ্রামের মেঘনা নদীর তীরে পৈত্রিক ভিটেমাটি এবং বাড়িঘর রক্ষার দাবি জানিয়ে সরকারের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকার শত শত নারী-পুরুষ মানববন্ধনে করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট দেওয়ান মনির হোসেন বলেন, মেঘনার করালগ্রাস থেকে আমাদের প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম, বংশ পরম্পরায় লড়াই করে যাচ্ছি। এই লড়াই থামছেই না। এখনো নদীর তীরের বসবাসকারীরা বাড়িঘর ভেঙে সরিয়ে নিচ্ছে। একদিনের নয়, এই দৃশ্য দীর্ঘদিনের। প্রকৃতির সাথে লড়াই করে আমাদের বাঁচতে হচ্ছে।
দেওয়ান মনির বলেন, আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের পূর্বে বরিশালের জনসভায়
ওয়াদা করেছেন ভাঙনরোধে পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
হিজলা-গৌরব্দী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মো. ফরিদ উদ্দিন বেপরীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে
প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট দেওয়ান মনির হোসেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন হিজলা-গৌরব্দী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক আলম শরীফ, হুমায়ূন
তালুকদার, জসিম সিকদার, আব্দুল মাজেদ আকন, আলমগীর ফকির, নূর মোহাম্মাদ সরদার, বিএনপি
নেতা ফারুক ফরাজি, আলাউদ্দিন বাবুর্চি, ধলু মোল্লা, জসিম মেম্বার, ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক
মো. মোস্তফা সিকদার, আলতাফ হোসেন জমদ্দার ও কামাল মাঝি প্রমুখ।