× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

পশু জবাইয়ে মানা হচ্ছে না সরকারি বিধিবিধান, নেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা

মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ৪ ঘণ্টা আগে

পশু জবাইয়ে মানা হচ্ছে না সরকারি বিধিবিধান, নেই স্বাস্থ্য পরীক্ষা

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলায় পশু জবাই ও মাংস বিক্রিতে মানা হচ্ছে না সরকারি বিধিবিধান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

নির্ধারিত কসাইখানার অভাব, পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াই জবাই, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং মূল্য নৈরাজ্যের কারণে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলার ৩১টি হাটবাজারের কোনোটিতেই প্রাণিসম্পদ বিভাগের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার কেনো  তদারকি নেই।

সরেজমিন দেখা যায়, মহম্মদপুর বাজারসহ উপজেলার অধিকাংশ বাজারে পশু জবাইয়ের জন্য কোনো নির্ধারিত কসাইখানা নেই। প্রতিদিন ভোরে কসাইরা নিজ নিজ বাড়ির আঙিনা, রাস্তার ধারে, নদীর ধারে কিংবা বাজারের বিভিন্ন স্থানে গরু-ছাগল জবাই করেন। এ মাংস খোলা ভ্যান, ড্রাম বা অনিরাপদ উপায়ে বাজারে এনে বিক্রি করা হয়।

প্রচলিত ‘পশু জবাই ও মাংসের মাননিয়ন্ত্রণ আইন’ অনুযায়ী জবাই ও মাংস বিপণনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সংক্রামক রোগমুক্ত হওয়ার সনদ থাকতে হবে এবং পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষাসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ বাধ্যতামূলক। কিন্তু বাস্তবে এসব বিধানের কোনো বালাই-ই নেই বলে অভিযোগ করেছেন সচেতন নাগরিকরা।

জানা গেছে, মহম্মদপুর সদর বাজারে প্রতিদিন গড়ে ৮ থেকে ১০টি গরু এবং ১০ থেকে ১৫টি ছাগল জবাই করা হয়। এছাড়া উপজেলার অন্যান্য বাজারেও নিয়মিত পশু জবাই হচ্ছে। অতীতেও একাধিকবার অসুস্থ ও রোগাক্রান্ত পশু জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। এমনকি রোগাক্রান্ত পশুর মাংস বিক্রির দায়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে শাস্তির ঘটনাও রয়েছে।

ক্রেতাদের দাবি, বকনা বা গাভীর মাংস এঁড়ে গরুর মাংসের সমমূল্যে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে। অন্যদিকে খাসির মাংসের দাম নেওয়া হলেও অনেক ক্ষেত্রে নিম্নমানের বা বয়স্ক মাদী ছাগলের মাংস খাসি হিসেবে বিক্রি করা হচ্ছে। দেখার কেউ নেই।

গরুর মাংস বিক্রেতা ফিরোজ হোসেন বলেন, মহম্মদপুরে পশু জবাইয়ের জন্য কোনো নির্ধারিত কসাইখানা নেই। বর্জ্য ফেলারও ব্যবস্থা নেই। বাধ্য হয়ে বিভিন্ন স্থানে বর্জ্য ফেলতে হয়। এতে দুর্গন্ধ ছড়ায় এবং পরিবেশ দূষিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে আমরা একটি আধুনিক কসাইখানার দাবি জানিয়ে আসলেও কাজের কাজ কিছুই  হয়নি।

মহম্মদপুর বাজার বণিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি আখতারুজ্জামান বিল্লাহ বলেন, উপজেলা সদরে একটি আধুনিক কসাইখানা অত্যন্ত জরুরি। নির্দিষ্ট কসাইখানা না থাকায় ব্যবসায়ীদের শতভাগ জবাবদিহির আওতায় আনা কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রশাসন উদ্যোগ নিলে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা