রাজশাহী সংবাদদাতা
প্রকাশ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২২ ১৮:০২ পিএম
আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০২২ ১৮:৪৫ পিএম
আগামী এক বছরের মধ্যে ৭০ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্রডব্যান্ড সংযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) আয়োজিত ‘চতুর্থ ইলেকট্রিক্যাল, কম্পিউটার অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং-আইসিইসিটিই-২০২২’ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দেশের ১২ কোটি মানুষ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের আওতায় রয়েছে। আগামী বছরের মধ্যে দেশে ১ লাখ ১০ হাজার গ্রামীণ প্রতিষ্ঠান অপটিক্যাল ফাইবার কেবলের মাধ্যমে ব্রডব্যান্ড কানেকশনের আওতায় আসবে। এর মধ্যে ৭০ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই সংযোগ দেওয়া হবে।’
শিক্ষামন্ত্রীর পর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অন্য অতিথিরা।
তারা বলেন, আগামী ২০৩৫ সালের পর পরই আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সবচেয়ে বড় খাত হবে আইসিটি সেক্টর, যেটি গার্মেন্টস সেক্টরকেও অতিক্রম করবে। প্রায় ২০ লাখ মানুষ আইসিটি সেক্টরে এখন কাজ করে। আগামী তিন বছরের মধ্যে এটি হবে ৫০ লাখ। এ ছাড়া আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় এক কোটি মানুষ আইসিটি সেক্টরে কাজ করবে।
তথ্যপ্রযুক্তির ওপর জোর দিয়ে বক্তারা বলেন, এখন পর্যন্ত দেশের ১ লাখ ১৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুম এবং ১৩ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপিত হয়েছে। প্রত্যেক উপজেলাতে হতে যাচ্ছে শেখ রাসেল স্কুল অব ফিউশন। এ ছাড়া হবে জয় ডিসেন্ট সেন্টার। যেখানে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের আধুনিক সব প্রযুক্তি শেখানো হবে। ইতোমধ্যে দেশে ১০টি হাইটেক পার্কের কাজ চলমান রয়েছে। আগামী ৭ বছরের মধ্যে এই সংখ্যা প্রায় ১০০-তে উন্নীত হবে। হাইটেক পার্কের উদ্যোগে রুয়েটে একটি ইনোভেশন হাবের কাজ চলমান রয়েছে।
রুয়েট আন্তর্জাতিক এই সেমিনারের মাধ্যমে গবেষণা ও উন্নয়নে বড় একটি সুযোগ সৃষ্টি হবে উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও গবেষকরা আরও বেশি গবেষণায় উদ্বুদ্ধ হবে এবং এর মধ্য দিয়ে পরবর্তী প্রজন্মকে ইনোভেটিভ রিসার্চ অরিয়েন্ট করে গড়ে তুলতে চাই। আমাদের দেশের ১২ কোটি মানুষের বয়স ২৫-এর নিচে। আমরা তাদের সাপোর্ট চাই। ভবিষ্যতে গুগল, ফেসবুক, মাইক্রোসফটসহ বিশ্বের বড় কোম্পানিগুলোতে দেশের তরুণ প্রজন্ম নেতৃত্ব দেবে বলে সম্মেলনের বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।