ভোলা সংবাদদাতা
প্রকাশ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২২ ১৫:৩৪ পিএম
আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০২২ ১৬:৫৬ পিএম
মেঘনায় ডুবে জাহাজ সাগর নন্দিনী-২ উদ্ধারের চেষ্টায় উদ্ধারকারীরা। ছবি : প্রবা
ভোলার মেঘনা নদীতে ডুবে যাওয়ার ষষ্ঠ দিনেও কার্গো জাহাজ এমভি সাগর নন্দিনী-২ উদ্ধার কাজে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। ঘন কুয়াশা ও জোয়ার ভাটার কারণে উদ্ধার কাজে বিঘ্ন ঘটছে। কবে নাগাদ জাহাজটির উদ্ধার কাজ শেষ হবে তা নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।
উদ্ধার কাজ শুরু হওয়ার পর শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুর পর্যন্ত তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালনা) যুগ্ম পরিচালক আব্দুল্লাহ আল বাক্বী।
তিনি বলেন, ‘জাহাজটি উদ্ধারে ২৮ ডিসেম্বর যোগ দেয় উদ্ধারকারী জাহাজ জোহুর ও হুমায়রা। এ দুইটি জাহাজ দিয়ে শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল থেকে উদ্ধারের মূল কাজ শুরু হবে। জাহাজটি টেনে তোলার কাজ শুরু করা হবে। তবে কবে নাগাদ শেষ হবে সেটা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।’
আব্দুল্লাহ আল বাক্বী আরও বলেন, ‘কোস্টগার্ড ও জাহাজ দুটির মালিকপক্ষের যৌথ প্রচেষ্টায় ৫৫ সদস্যের একটি দল গত তিন দিন উদ্ধার কাজে অংশ নেয়। তারা ডুবে যাওয়া জাহাজের তলদেশে দুইটি সিলিং মেশিন বসাতে সক্ষম হয়েছেন। সেখানে আরও দুটি সিলিং মেশিন বসানোর চেষ্টা চলছে। সেটা শেষ হলে জাহাজটি টেনে তোলার মূল কাজ শুরু হবে।’
ডুবে যাওয়া জাহাজের কোম্পানি পদ্মা ওয়েলের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আসিফ মালেক জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যে জাহাজটি উদ্ধারে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।
গত ২৪ ডিসেম্বর সাড়ে ১১ লাখ ৫০ হাজার লিটার ডিজেল ও অকটেন নিয়ে চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে ছেড়ে আসে জাহাজ এমভি সাগরনন্দিনী-২। রবিবার (২৫ ডিসেম্বর) ভোরে ভোলা সদরের ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি-সংলগ্ন মেঘনা নদীতে ঘন কুয়াশার কারণে সেটি অন্য এক জাহাজের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে জাহাজের তলা ফেটে মুহূর্তেই মেঘনায় তেল ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। এতে সময় যত বাড়ছে ততই ভয়াবহ পরিবেশ দূষণের আশংকা করা হচ্ছ।
এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক আবদুল হালিম জানান, নদীর পানির নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা যাবে।