× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

গানে গানে মরমি শিল্পী আবদুল আজিজকে স্মরণ

জয়পুরহাট সংবাদদাতা

প্রকাশ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২২ ১২:৪৮ পিএম

আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর ২০২২ ১৩:৪৯ পিএম

গানে গানে মরমি শিল্পী একেএম আবদুল আজিজকে স্মরণ। ছবি : প্রবা

গানে গানে মরমি শিল্পী একেএম আবদুল আজিজকে স্মরণ। ছবি : প্রবা

‘কোনবা দোষে কোন সুখের আশে, কই গেলি ছাড়িয়া রে ও পরদেশিয়া, তুমি মন দিলে না, মন নিলে, তবে মন নিয়ে যাও কোন ছলে ও পরদেশিয়া...’ প্রয়াত মরমি শিল্পী একেএম আবদুল আজিজের লেখা ও সুর করা এ গানটি গেয়ে বাবার জন্মশতবার্ষিকী স্মরণ করেন তার বড় মেয়ে শিল্পী বীর মুক্তিযোদ্ধা নাদিরা বেগম।

জয়পুরহাট জেলা শহরের শহীদ ডা. আবুল কাসেম ময়দানে প্রয়াত মরমি শিল্পী একেএম আবদুল আজিজের জন্মশতবার্ষিকী পালন করা হয়। বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে একেএম আবদুল আজিজ সংগীত ভুবনের আয়োজনে এ অনুষ্ঠান হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে একেএম আবদুল আজিজ সংগীত ভুবনের সভাপতি রাজা চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক তামান্না ইয়াসমিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা নাদিরা বেগম প্রমুখ বক্তব্য দেন। জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রশিক্ষণ, প্রতিযোগিতা, সেমিনার ও লোকসংগীত উৎসবের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালি, বিচ্ছেদি, মারফতি, মুর্শিদি ও ভক্তিমূলক গানের গীতিকার এবং সুরকার প্রয়াত একেএম আবদুল আজিজ ১৯২২ সালের ২৮ ডিসেম্বর জয়পুরহাট জেলার দাদরাজন্তী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৪৩ সালে বিএ পাসের পর প্রথমে বাবার প্রতিষ্ঠিত তেঘর হাইস্কুলে শিক্ষকতার মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর যোগদান করেন কলকাতায় ফুড ইন্সপেক্টর হিসেবে। সেখানেই শাস্ত্রীয় সংগীতে প্রবেশ তার। বন্ধু মুকুল বসুর সুবাদে ভবানীপুরে গীতবিতান সংগীত বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে গিরীজা শংকর চক্রবর্তীর কাছে তালিম নেওয়া শুরু করেন ১৯৪৫ সালে। কলকাতায় ওস্তাদ সুখেন্দু গোস্বামীর শিষ্যত্ব অর্জনের পাশাপাশি ইবো কাওয়ালের কাছে কাওয়ালিরও তালিম নেন আবদুল আজিজ। ১৯৪৭ সালে দেশবিভাগের পর চলে আসেন জয়পুরহাট।

১৯৪৮ সালে নবগঠিত আনসার ডিপার্টমেন্টে মহকুমা আনসার অ্যাডজুট্যান্ট হিসেবে চাকরিতে যোগদানের পর একেএম আবদুল আজিজের সংগীত সাধনা বিস্তার লাভ করে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কর্মরত থাকাকালে উচ্চাঙ্গ সংগীতে তালিম নেন ওস্তাদ ওমেশ চন্দ্র রায়ের কাছে। সেখানেই বাংলা খেয়াল রচনার মধ্য দিয়ে শুরু সংগীতস্রষ্টা জীবনের। ১৯৫১ সালে প্রথম ঢাকা বেতারে সংগীত পরিবেশন করেন। কিন্তু তৎকালীন সরকারি নীতিমালার দরুন নিয়মিত সংগীত পরিবেশন সম্ভব হতো না। এরপর নীতিমালা একটু শিথিল হলে রাজশাহী, রংপুর, খুলনা বেতার থেকে লোকসংগীত ও উচ্চাঙ্গ সংগীত নিয়মিতভাবে পরিবেশন করতে থাকেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের গণমানুষ এবং সংগীতধারায় অবগাহন করেছেন শ্রোতা এবং শিল্পী। এই শিল্পী ১৯৮২ সালের ২ মার্চ মৃত্যুবরণ করেন।

‘কলকল ছলছল নদী করে টলমল, ঢেউ ভাঙে ঝড় তুফানেতে, নাও বাইও না মাঝি বেসম দৈরাতে...’ কালজয়ী এ গানের মহিমা অর্জন করেছে মরমি শিল্পী আবদুল আজিজের কণ্ঠে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা