মধ্যাঞ্চলীয় অফিস
প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:৪৪ পিএম
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সির মাধ্যমে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার অভিযোগে ৯ পরীক্ষার্থীকে আটক করে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও রাজস্ব প্রশাসন নিয়োগ নির্বাচনি কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান বুধবার বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মৌখিক পরীক্ষায় এ অনিয়ম ধরা পড়ে।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—মো. নিজাম উদ্দিন, পিয়াস, সাব্বির, মেহেদী, শফিকুল, নজরুল, জসিম, রাহিমা আক্তার ও ফয়সাল।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। রাজস্ব প্রশাসনের অধীনে ২০তম গ্রেডের অফিস সহায়ক ৫৫টি, নিরাপত্তা প্রহরী ৩টি এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মী ১টিসহ মোট ৫৯টি শূন্য পদে জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে এ পরীক্ষা নেওয়া হয়।
লিখিত পরীক্ষার ফলাফল ২২ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ করা হয়। উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উপস্থিত হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বুধবার মৌখিক পরীক্ষা চলাকালে কয়েকজন পরীক্ষার্থীর আচরণে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। তাদের লিখিত খাতার হাতের লেখার সঙ্গে তাৎক্ষণিক লেখার মিল পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদে কথাবার্তায় অসংলগ্নতা দেখা দেয়। একপর্যায়ে তারা প্রক্সির মাধ্যমে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে।
ঘটনার পর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে প্রত্যেককে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সূফি সাজ্জাদ আল ফোজায়েল, রাহুল ঘোষ পলাশ, আমিন অর রশিদ, মশিউর রহমান ও রিয়াদ হোসেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান বলেন, “নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা অসদুপায় বরদাস্ত করা হবে না। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে”।