পটুয়াখালী সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৫ ডিসেম্বর ২০২২ ০৯:০৪ এএম
হাজিরহাট কমিউনিটি ক্লিনিক। ছবি : সংগৃহীত
ভবন না থাকায় পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেরার হাজিরহাট কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এতে এ এলাকায় প্রায় ১০ হাজার মানুষ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
জানা যায়, দশমিনা উপজেলার তেঁতুলিয়া নদী তীরবর্তী হাজিরহাট কমিউনিটি ভবন ২০০০ সালে নির্মিত হয়। এরপর ভবনটির দরজা-জানারা ভেঙ্গে পলেস্তারা খসে পড়ে বিভিন্ন স্থানে ফাটলের সৃষ্টি হয়। তা ছাড়া বর্ষা মৌসুমে ভবনের ছাদ ছুঁইয়ে পানি পড়ে ওষুধ ও ক্লিনিকের চিকিৎসাসামগ্রী নষ্ট হয়ে যায়। পরবর্তীতে ২০১৭ সালে জেলা সিভিল সার্জন ভবনটি ঝুঁকিপুর্ণ হিসেবে পরিত্যক্ত ঘোষণা করে। ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণার পর বছর খানেক দেড় হাজার টাকা ভাড়ায় একটি ঘরে ক্লিনিকের কার্যক্রম কোন রকম সচল রাখা গেলেও ভাড়া পরিশোধ না করায় সেটিও বন্ধ হয়ে গেছে।
বর্তমানে এ ক্লিনিকের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় হাজিরহাট, ঢনঢনিয়া, গোলখালী ও চরহাদী গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
হাজিরহাট কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচপি রাকিবুল হাসান বলেন, ক্লিনিকটি বন্ধ থাকায় এ এলাকার মানুষ স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আপাতত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সংযুক্তিতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। ওই এলাকায় একটি সাইক্লোন সেল্টার রয়েছে, সেখান থেকে যদি একটি রুমও ক্লিনিকের জন্য সাময়িক সময়ের জন্য দেওয়া হতো তাহলে ক্লিনিকের কার্যক্রম চলমান রাখা যেত।
দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, কমিউনিটি ক্লিনিকের পুরাতন ভবনটি তেঁতুলিয়া নদী ভাঙনের কবলে পরার আশঙ্কায় একই স্থানে নতুন ভবন নির্মাণ করা ঠিক হবে না। তাই নতুন করে জমিদাতা খোঁজা হচ্ছে, জমিদাতা পাওয়া গেলেই নতুন ভবন নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হবে।