বাসস
প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:০২ পিএম
ছবি: বাসস
বাগেরহাট জেলা কারাগারে বন্দি ও স্টাফসহ মোট ৭৪ জন পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এর মধ্যে ২৯ জন বন্দি এবং ৪৫ জন কারা কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছেন। তারা জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য পৃথক দুটি ব্যালট পেপারে এই ভোট দেন।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে প্রথমবারের মত জেলবন্দীদের ভোট দেওয়ার সুযোগ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এই ঘোষণার প্রেক্ষাপটে কারাগার কর্তৃপক্ষের উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমে সাড়া দিয়ে ভোট দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সকল নিবন্ধনকৃত বন্দীর মধ্যে ৬ জন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন, তারা নিজ নিজ এলাকায় তাদের ভোট দিবেন।
জাতীয় নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দের পরে নিবন্ধিত হাজতি ও কয়েদিদের অনুকূলে প্রতীক সম্বলিত জাতীয় নির্বাচনের পোস্টাল ব্যালট পেপার, গণভোটের পোস্টাল ব্যালট পেপার ছাড়াও ভোটদাতার নির্দেশনাবলী এবং ঘোষণাপত্র ডাক বিভাগের মাধ্যমে প্রেরণ করে নির্বাচন কমিশন। তিনদিন ধরে চলা এই ভোট প্রদান শেষ হয়।
জেলা কারাগারের জেলার খন্দকার আল- মামুন বাসসকে জানান, নিবন্ধিত ৩৫ বন্দীর মধ্যে ছয়জন জামিনে মুক্ত হয়েছেন। বাগেরহাট জেলা কারগারে ২৯ বন্দী পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদান সম্পন্ন করেছেন।
বাগেরহাট কারাগারে কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীর মধ্যে ৪৫ জন ভোট প্রয়োগ সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, নিরাপত্তা জনিত কারণে বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আত্মীয় স্বজনদের সাথে দেখা সাক্ষাৎ এবং বন্দীদের টেলিফোন সুবিধা বন্ধ থাকবে। এ সংক্রান্ত ব্যানার টানানো হয়েছে।