মুন্সীগঞ্জ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:৪১ পিএম
আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:০১ পিএম
মুন্সীগঞ্জের সদর উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের বেহেরকান্দি ও মুন্সীকান্দি গ্রামে শনিবার দুপুর ১২টার দিকে সংঘর্ষের সময় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটে। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলায় নির্বাচনি প্রচার নিয়ে বিএনপির প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় অন্তত দুইজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
উপজেলার মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের বেহেরকান্দি ও মুন্সীকান্দি গ্রামে শনিবার দুপুর ১২টার দিকে এই সংঘর্ষ হয় বলে জানান সদর থানার ওসি মো. মমিনুল ইসলাম।
স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন আহমেদের ফুটবল প্রতীকের সমর্থক ও জেলা বিএনপি সদস্য আতাউর রহমান মল্লিকের লোকজন মুন্সীকান্দি এলাকায় ভোট চাইতে গেলে ধানের শীষের সমর্থক উজির আলী ও আওলাদ মোল্লার অনুসারীরা ককটেল ও অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এরপরই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ।
এই সংঘর্ষের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে, সেখানে কয়েকজনের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র দেখা গেছে।
এই সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন অন্তত দুইজন। তারা হলেন, মনির হোসেন সরকার (৬০) ও লিজন সরকার (২০)। তবে ফাহিম দেওয়ান (২১), ফয়সাল (২২), ইকরাম (১৯), নিরব (১৮) ও দিদার দেওয়ানও (৫০) গুলিতে আহত হয়েছেন এমন খবরও এসেছে।
আহতদের সবার বাড়ি মুন্সীকান্দি ও বেহেরকান্দি গ্রামে।
আহত সাত ব্যক্তিকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি আমাদের ঢামেক সংবাদদাতা।
এ বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ঘনিষ্ঠ ও জেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব মোহাম্মদ মাসুদ রানা অভিযোগ করেন, “ধানের শীষের প্রার্থীর সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিচ্ছে এবং আমাদের কর্মীদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে।”
তবে বিএনপির প্রার্থীর অনুসারী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সুলতান আহমেদ বলেন, “ফুটবল প্রতীকের সন্ত্রাসী গ্রুপ অস্ত্র নিয়ে আমাদের সমর্থকদের ওপর আগে হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন।”
মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ওসি মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, “আধিপত্য বিস্তার নিয়ে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। নির্বাচন সামনে রেখে তারা আবারও সক্রিয় হয়েছে। বর্তমানে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।”