চট্টগ্রাম বন্দর
চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশ : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:২২ এএম
আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:২২ এএম
চট্টগ্রাম বন্দর। ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলনরত ১৫ জন কর্মচারীর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আবেদন জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে।
বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিমের সই করা চিঠিতে বৃহস্পতিবার এ অনুরোধ করা হয়।
এর আগে গত সোমবার এই ১৫ কর্মচারীকে মোংলা এবং পায়রা বন্দরে বদলি করা হয়। তাদের মধ্যে ৮ জনকে পায়রা বন্দর এবং বাকি সাতজনকে মোংলা বন্দরে বদলি করা হয়।
চিঠিতে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন, চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর ও মো. ইব্রাহিম খোকন। এর আগে তাদের প্রেষণে মোংলা ও পায়রা বন্দরে বদলি করা হয়।
তালিকা থাকা অপর শ্রমিকরা হলেন- মো. ফরিদুর রহমান, মোহাম্মদ শফি উদ্দিন, রাশিদুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. জহিরুল ইসলাম, খন্দকার মাসুদুজ্জামান, মো. হুমায়ুন কবীর (এসএস পেইন্টার), মো. শাকিল রায়হান, মানিক মিঝি, মো. শামসু মিয়া, মো. লিয়াকত আলী, আমিনুর রসুল বুলবুল ও মো. রাব্বানী।
‘আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী কর্মচারীদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ তদন্তকরণ’ শীর্ষক ওই চিঠিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দরে অতি সম্প্রতি আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ১৫ জন কর্মচারীকে গত ২ ফেব্রুয়ারি মোংলা ও পায়রা বন্দরে বদলি করা হয়। তারা রাষ্ট্রবিরোধী কাজে জড়িত।
চিঠিতে আরও বলা হয়, এসব বিপথগামী কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বর্তমানে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তারা যেন দেশত্যাগ করতে না পারেন এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও এজেন্সিকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হলো। একই চিঠিতে এসব কর্মচারীদের সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বিষয়ে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিতে দুদককে অনুরোধ করা হয়।