কক্সবাজার প্রতিবদক
প্রকাশ : ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:৪৫ পিএম
আপডেট : ২০ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:৫৪ পিএম
টেকনাফের মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ‘অর্ধশতাধিক’ স্থলমাইনের চাপ প্লেট বা অগ্রভাগ উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী ও বিজিবি। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
কক্সবাজারের টেকনাফের মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ‘অর্ধশতাধিক’ স্থলমাইনের চাপ প্লেট বা অগ্রভাগ উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী ও বিজিবি।
মিয়ানমার সীমান্তের হোয়াইক্যং উলুবনিয়ার এলাকায় মঙ্গলবার সকালে এসব চাপ প্লেট উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন উখিয়ায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) ৬৪ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, “সীমান্ত থেকে স্থলমাইনের চাপ প্লেটের মত বেশ কয়েকটি অংশ পাওয়া গেছে। তবে সেগুলোতে কোন বিস্ফোরক কিছু নেই। তবুও আমরা বিশেষজ্ঞ সাথে বলেছি, সেগুলো খতিয়ে দেখছি।”
প্রাপ্ত তথ্য বলছে, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সেনা বাহিনী ও বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে স্থলমাইনের এসব চাপ প্লেট উদ্ধার করে। এর সংখ্যা অনুমানিক ৫০-৬০টি হতে পারে। উদ্ধার করা এসব চাপ প্লেট হোয়াইক্যং বিজিবি ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বিজিবির একটি সূত্র জানায়, স্থলমাইনের মোট ৪ টি অংশ। যার মধ্যে অগ্রভাগ বা চাপ প্লেটই উদ্ধার হয়েছে। চাপ প্লেট মুলত মাটির উপর বসানো থাকে, যা চাপ পড়লে সক্রিয় হয়।
এছাড়া এতে রয়েছে কেসিং, যা মাইনের বাইরের আবরন, বিস্ফোরক ও অন্যান্য অংশকে ধারণ করে। এটি ধাতু, প্লাস্টিক বা অন্যান্য উপাদান দিয়ে তৈরি হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ অংশটি বিস্ফোরক অংশ। যা মাইনের মূল বিধ্বংসী অংশ, যেটি বিস্ফোরণ ঘটায়। এর সাথে একটি বুস্টার চার্জ থাকে যা কিনা মূল বিস্ফোরকে আগুন জ্বালায়।
এছাড়া ফায়ারিং মেকানিজম থাকে। এটি মাইনকে সক্রিয় করার প্রক্রিয়া। শেষ অংশটি ডিটোনেটর বা ফায়ারিং পিনম, যা ফায়ারিং মেকানিজম দ্বারা সক্রিয় হলে এটি মূল বিস্ফোরক অংশকে ইগনাইট করে বিস্ফোরণ ঘটায়।