মিঠাপুকুর (রংপুর) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:২৩ পিএম
রংপুরের মিঠাপুকুরে এনজিওর কিস্তির টাকা দিতে গিয়ে নৃশংস হামলার শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ। তাকে বাড়ির উঠানে আটকে রেখে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে এক এনজিওকর্মীর পরিবারের বিরুদ্ধে। এ সময় ওই গৃহবধূকে বাঁচাতে গিয়ে এক কিশোরীর শ্লীলতাহানিসহ একই পরিবারের চার জনকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে আহতরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার লতিবপুর ইউনিয়নের ঘেচুলিয়া গ্রামে আদ-দ্বীন ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের মাঠকর্মী লিলি বেগমের বাড়িতে।
রবিবার দুপুরে ভুক্তভোগী রাবেয়া বেগমের স্বামী মহাসীন আলী বাদী হয়ে মিঠাপুকুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, একজন এনজিওকর্মীর আচরণ হবে নম্র ও সহযোগিতামূলক। কিন্তু লিলি বেগম ও তার পরিবারের সদস্যরা যেভাবে একজন গ্রাহক ও তার পরিবারকে রক্তাক্ত করেছেন, তা নজিরবিহীন।
ভুক্তভোগীর স্বামী মহাসীন আলী বলেন, আমার স্ত্রী কিস্তি দিতে গিয়েছিল, মার খেতে নয়। আমরা তাকে বাঁচাতে গেলে বেধড়ক মারধরের শিকার হয়েছি। আমার স্কুল পড়ুয়া মেয়েটার সর্বনাশ করতে চেয়েছিল নাজমুল। এমনকি লিলি বেগম এনজিওর ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আমাদের শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন। আমি এই অন্যায়ের বিচার চাই।
অভিযুক্ত লিলি বেগমের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
আদ-দ্বীন ওয়েল ফেয়ার এনজিওর শাখা ম্যানেজার রশিদুল ইসলাম বলেন, আমরা কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষে জানানো হবে।
এ বিষয়ে মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুজ্জামান জানান, এ বিষয়টি একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।