চুয়াডাঙ্গা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ২০:০৬ পিএম
আপডেট : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ২২:৩৮ পিএম
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সেনা হেফাজতে মৃত্যু হওয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর প্রথম জানাজা সম্পন্ন। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সেনা হেফাজতে মৃত্যু হওয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর (৫৩) প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।
জীবননগর পৌর ঈদগাহ ময়দানে বুধবার বেলা ১১টায় এ জানাজা হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ডাবলুর ছোট ভাই ও মা লন্ডন থেকে দেশে ফিরলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি. এম. তারিক-উজ-জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) মো. আনোয়ারুল কবীর এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি ও বিজিএমইএ-র সভাপতি মাহমুদ হাসান খান।
এছাড়াও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাহিদুজ্জামান টরিক, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও পিপি মারুফ সারোয়ার বাবু, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার অহিদুল আলমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও স্থানীয়রা জানাজায় অংশ নেন।
জানাজা-পূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান ও সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান শরীফ বলেন, “আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এই দেশে আমরা এমন মৃত্যু প্রত্যাশা করি না। ডাবলুর মৃত্যুর সঠিক বিচার চাই। ভবিষ্যতে যেন আর কাউকে এভাবে প্রাণ দিতে না হয়।”
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা অত্যন্ত মর্মাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচারে পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।”
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি. এম. তারিক-উজ-জামান বলেন, “যে ঘটনা ঘটেছে, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। যে হারায়, সেই একমাত্র বোঝে কী হারালো। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য যা যা প্রয়োজন, সব করা হবে।”
এর আগে সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে ডাবলুকে আটক করে চুয়াডাঙ্গা সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা। পরে রাত ১২টার পর তাকে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।