× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

প্রেমের টানে ভূপাল থেকে খুলনা, মানবিক সিদ্ধান্তে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে

খুলনা অফিস

প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ ২১:৫৫ পিএম

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ ২২:০৩ পিএম

প্রেমের টানে ভূপাল থেকে খুলনা, মানবিক সিদ্ধান্তে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে

প্রেমের টানে ভারতের মধ্যপ্রদেশের ভূপাল থেকে অবৈধ পথে বাংলাদেশে প্রবেশ করা এক ভারতীয় নারীকে মানবিক বিবেচনায় ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) কমিশনার মো. জাহিদুল হাসান, বিপিএম (সেবা)। আইনি জটিলতার মাঝেও এই সিদ্ধান্তকে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাতে ঘটনাটি ঘটে। আকস্মিকভাবে দৌলতপুর থানা পরিদর্শনে গিয়ে নারী হাজতখানায় আটক ওই তরুণীকে দেখতে পান কেএমপি কমিশনার। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তার নাম ফারিন আলী (২১)। তিনি ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের ভূপালের ব্লু মুন কলোনির বাসিন্দা। তার পিতা রফিক আলী এবং মাতা ফরিদা আলী।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ছয় বছর আগে খুলনা নগরীর দৌলতপুর মধ্যপাড়ার বাসিন্দা তাসিনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে পরিচয় হয় ফারিনের। সময়ের সঙ্গে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পাসপোর্ট ও বৈধ ভ্রমণ নথি না থাকায় ফারিন প্রায় ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে মধ্যপ্রদেশ থেকে আসাম হয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে সিলেট হয়ে খুলনায় পৌঁছান।

পরবর্তী সময়ে গত ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে ফারিন ও তাসিন বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে গত ৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে ৯৯৯ নম্বরে কল পেয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ফারিনকে আটক করে দৌলতপুর থানা পুলিশ।

থানায় আটক অবস্থায় ফারিন কেবল হিন্দি ভাষায় কথা বলতে পারেন। কমিশনার জাহিদুল হাসানের সামনে তিনি নিজের অবস্থান ও অসহায়ত্ব প্রকাশের চেষ্টা করেন। এ সময় তার স্বামী ও শাশুড়ির আবেদনে বিষয়টি আরও সংবেদনশীল হয়ে ওঠে।

পরিস্থিতির মানবিক দিক বিবেচনা করে কমিশনার তাৎক্ষণিকভাবে আইনজীবী, বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি), ইমিগ্রেশন পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সব দিক পর্যালোচনা শেষে ফারিনকে ভিকটিম হিসেবে বিবেচনা করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে পাঠানোর নির্দেশ দেন তিনি।

দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শফিকুল ইসলাম  জানান, ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার হয়ে আদালতের মাধ্যমে পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা