রাসেল মিয়া, আমতলী (বরগুনা)
প্রকাশ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১৯:৪৮ পিএম
আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬ ২২:৪০ পিএম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-১ (আমতলী-তালতলী ও বরগুনা সদর) আসনে যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে সম্পদের দিক থেকে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লা শীর্ষে থাকলেও শিক্ষাগত যোগ্যতায় পিছিয়ে। পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে স্ত্রীর নামে সবচেয়ে বেশি সম্পত্তি জামায়াতের মো. মহিবুল্লাহর।
হলফনামা অনুযায়ী, বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লা ২০১৮ সালের হলফনামায় স্ত্রীর নামে ৩৫ ভরি স্বর্ণ দেখালেও বর্তমানে কোনো স্বর্ণের উল্লেখ নেই; তবে নিজ নামে ৬০ হাজার টাকার স্বর্ণের উল্লেখ করেছেন। গত সাত বছরে তার সম্পত্তি প্রায় ৯ দশমিক ৩১ গুণ বেড়েছে। তার নামে একটি আগ্নেয়াস্ত্র থাকলেও অন্য চার প্রার্থীর কারও নেই।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী ওলি উল্লাহর মোট সম্পদের পরিমাণ ৮০ লাখ টাকা। তার স্ত্রী মমতাজ বেগমের নামে রয়েছে ১১ ভরি স্বর্ণ। মৌসুমি ব্যবসা ও পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি রয়েছে তার।
জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ প্রার্থী মো. মহিবুল্লাহর মোট সম্পদের মূল্য ৭৪ লাখ টাকা। তার স্ত্রী মাহফুজার নামে রয়েছে ৫ ভরি স্বর্ণ ও ৩০ লাখ টাকার সম্পত্তি। পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে স্ত্রীর নামে সবচেয়ে বেশি সম্পত্তি জামায়াত প্রার্থীর।
খেলাফত মজলিস প্রার্থী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গির হোসাইনের রয়েছে ৩০ ভরি, স্ত্রীর নামে ৫ ভরি এবং নির্ভরশীলদের নামে ১০ দশমিক ৩ গ্রাম স্বর্ণ। স্বর্ণের হিসাবে তিনি সব প্রার্থীর চেয়ে এগিয়ে।
জাতীয় পার্টি-জেপি প্রার্থী জামাল হোসাইনের নামে রয়েছে ২০ ভরি স্বর্ণ, ৭ লাখ টাকা নগদ অর্থ ও ৩০ হাজার টাকার বৈদেশিক মুদ্রা। তবে তার স্ত্রীর নামে কোনো সম্পত্তি নেই। এ বিষয়ে জামাল হোসাইন বলেন, আমার কোনো বৈদেশিক মুদ্রা নেই। একজন আইনজীবী হলফনামা পূরণ করেছেন, সম্ভবত তার ভুলে এটি লেখা হয়েছে।
খেলাফত মজলিস প্রার্থী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গির হোসাইন বলেন, হলফনামায় দেওয়া তথ্য সঠিক। জামায়াত প্রার্থী মো. মহিবুল্লাহ বলেন, চাকরি ও পৈত্রিক সম্পদের কথাই হলফনামায় দেওয়া হয়েছে। ইসলামী আন্দোলনের ওলি উল্লাহ বলেন, মৌসুমি ব্যবসা ও বাবার কাছ থেকে পাওয়া সম্পত্তিই হলফনামায় উল্লেখ করেছি। বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লা বলেন, সম্পত্তি আসলে বাড়েনি, শহরের কিছু দামি জমি ও একটি মূল্যবান বাড়ি বিক্রি করায় টাকার অঙ্কে সম্পদের পরিমাণ বেশি দেখাচ্ছে।