× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

২০২৪-২৫ অর্থবছর

ইপিজেড রপ্তানিতে ১৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, শীর্ষে কুমিল্লা

কুমিল্লা অফিস

প্রকাশ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৯:৫০ পিএম

ইপিজেড রপ্তানিতে ১৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, শীর্ষে কুমিল্লা

দেশে বর্তমানে উৎপাদনে থাকা ৯টি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকার (ইপিজেড) মধ্যে গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রপ্তানি প্রবৃদ্ধি এসেছে কুমিল্লা ইপিজেড থেকে। বিপরীতে সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি হয়েছে ঢাকা ইপিজেডে। সব মিলিয়ে গত এক অর্থবছরে ইপিজেডগুলো থেকে রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১৬ শতাংশ।

অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত সর্বশেষ অর্থনৈতিক সমীক্ষায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। এতে দেখা গেছে, প্রবৃদ্ধিতে কুমিল্লা এগিয়ে থাকলেও রপ্তানি আয়ের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে চট্টগ্রাম। সর্বশেষ গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২৩৭ কোটি ৫৭ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে চট্টগ্রাম ইপিজেড থেকে। সব মিলিয়ে গত অর্থবছরে দেশের ইপিজেডগুলো থেকে ১২০টি দেশে পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এটি ওই অর্থবছরের জাতীয় রপ্তানির প্রায় ১৭ শতাংশ।

বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের অধীন বর্তমানে চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, পাবনার ঈশ্বরদী, নীলফামারীর উত্তরা, নারায়ণগঞ্জের আদমজী ও চট্টগ্রামের কর্ণফুলীÑ আটটি ইপিজেড রয়েছে। চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে অবস্থিত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলেও (ইজেড) স্বল্প পরিসরে উৎপাদন কাজ শুরু হয়েছে।

বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ৯টি ইপিজেড ও ইজেডের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রায় ২৭ শতাংশ রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে কুমিল্লা ইপিজেড থেকে। এই ইপিজেডে ৪৮টি কারখানা রয়েছে। এসব কারখানা থেকে গত অর্থবছরে ৯০ কোটি ১২ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর আগের অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৭১ কোটি ১৩ লাখ ডলারের।

বেপজার কর্মকর্তারা জানান, গত বছর কুমিল্লায় ইপিজেডের প্রতিষ্ঠান ব্র্যান্ডিয় ক্যাজুয়াল ওয়্যার (বাংলাদেশ), সুর্তি টেক্সটাইল (বিডি), কাদেনা স্পোর্টসওয়্যার, ইস্টপোর্টসহ কয়েকটি কারখানা অনেক বেশি ক্রয়াদেশ পেয়েছিল, যার প্রভাব পড়েছে কুমিল্লা ইপিজেডের সার্বিক রপ্তানিতে।

অন্যদিকে গত অর্থবছরে সবচেয়ে কম রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ঢাকা ইপিজেড থেকে, মাত্র সাড়ে ৫ শতাংশ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ঢাকা ইপিজেড থেকে মোট ১৭৮ কোটি ৪৪ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এর আগের অর্থবছরে রপ্তানি হয়েছিল ১৬৯ কোটি ১২ লাখ ডলারের পণ্য। আর ২০২১-২২ বছরে ঢাকা ইপিজেড থেকে রপ্তানি হয়েছিল ২১২ কোটি ২৮ লাখ ডলারের পণ্য।

বেপজার কর্মকর্তারা জানান, ঢাকা ইপিজেডে বেশ কয়েকটি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। ঢাকা ইপিজেডে মোট ৮৩টি কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম বড় রপ্তানিকারক সাউথ চায়না গ্রুপের চারটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে। এগুলো হচ্ছে সাউথ চায়না ব্লিচিং অ্যান্ড ডাইং ফ্যাক্টরি, গোল্ডটেক লিমিটেড, গোল্ডটেক্স গার্মেন্টস ও অ্যাক্টর স্পোর্টিং। এ ছাড়া লেনি অ্যা অ্যাপারেলস ও লেনি ফ্যাশনসের কারখানা বন্ধ। আর এক সময়কার বড় রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান রিংসাইন টেক্সটাইলের উৎপাদন চলছে এখন ধুঁকে ধুঁকে। এসব কারণে ঢাকা ইপিজেড থেকে রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে কিছুটা নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইপিজেডগুলো থেকে ৮২২ কোটি ৩২ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এর আগের অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৭০৭ কোটি ৫১ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরে রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১৬ শতাংশ।

অবশ্য গত ৯ বছরের মধ্যে ইপিজেড থেকে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছিল ২০২১-২২ অর্থবছরে। ওই বছর ৮৬৫ কোটি ৫৮ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছিল। এরপর দুই বছর ধারাবাহিকভাবে রপ্তানি কমার পরে গত অর্থবছরে আবার তা বেড়েছে।

বেপজার নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) আনোয়ার পারভেজ বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারী ও ক্রেতারা ইপিজেডভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদ এলাকা হিসেবে বিবেচনা করেন। এ কারণে ক্রেতারা ইপিজেডভুক্ত কারখানাগুলোতে ক্রয়াদেশ কমাননি, বরং ক্ষেত্রবিশেষে বেশি ক্রয়াদেশ দিয়েছেন। ফলে গত বছরের রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতেও এর একটি ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা