× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মনোনয়নপত্র জমা: দেশজুড়ে উৎসবের আমেজ

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ২২:৫৩ পিএম

আপডেট : ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ ২৩:২৭ পিএম

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনের বিএনপির প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সোমবার মনোনয়নপত্র জমা দেন। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনের বিএনপির প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সোমবার মনোনয়নপত্র জমা দেন। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দেশজুড়ে নতুন আবহের সূচনা। আনন্দ-উল্লাসে সঙ্গী-সাথি আর নেতাকর্মীদের নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন প্রার্থীরা। নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আচরণ করা হলে দেশের রাজনৈতিকসহ সকল সমস্যার সমাধান হবে এই আশা নিয়ে প্রার্থীরা নির্বাচনে নেমেছেন। খবর প্রতিবেদকদের পাঠানো-

চট্টগ্রাম : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মোট ১৪৩ জন প্রার্থী। এসব আসন থেকে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছিলেন ২৩১ জন প্রার্থী। এই দিন প্রার্থী ও নেতাকর্মী সমর্থকদের পদচারণায় দিনভর মুখরিত ছিল বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও নির্বাচন কমিশন কার্যালয় চত্ত্বর।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিনে সকাল থেকে প্রার্থীরা চট্টগ্রামের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে মনোনয়ন জমা দেন। মনোনয়ন জমা দিতে পাঁচজনকে নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রবেশের বিষয়ে শুরু থেকেই কঠোর ছিল প্রশাসন। 

নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, চট্টগ্রামের ১৬টি আসনে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ অন্যান্য দলের ১৪৩ জন মনোনয়নপত্র জমাকারীর মধ্যে চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে ১০ জন, চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে ৯ জন, চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) ৫ জন, চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে ১০ জন, চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে ১০ জন, চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে ৫ জন, চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) ৯ জন, চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনে ৯ জন, চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী) ১২ জন, চট্টগ্রাম-১০ (হালিশহর-পাহাড়তলী) ১১ জন, চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর) ১২ জন, চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) ১১ জন, চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা) আসনে ৯ জন, চট্টগ্রাম ১৪ (চন্দনাইশ) ৯ জন, চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে ৩ জন, চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে ৯ জন।

চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) : আসনটিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১০ জন। এর মধ্যে বিএনপির নুরুল আমিন, জামায়াতে ইসলামীর সাইফুর রহমান, ইসলামী আন্দোলনের ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী, ইনসানিয়াত বিপ্লবের রেজাউল করীম, জাপার (জিএম কাদের) এরশাদ উল্যা, খেলাফত মজলিসের জাফর উল্লাহ নিজামী উল্লেখযোগ্য।

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) : আসনটিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৯ জন। এর মধ্যে বিএনপির সরোয়ার আলমগীর, জামায়াতের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, গণঅধিকার পরিষদের রবিউল হাসান তানজিম উল্লেখ্যযোগ্য।

চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) : আসনটিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৫ জন। এর মধ্যে বিএনপির মোস্তফা কামাল পাশা, জামায়াতের আলাউদ্দিন শিকদার, ইসলামী আন্দোলনের আমজাদ হোসেন উল্লেখযোগ্য। 

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) : আসনটিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১০ জন। এর মধ্যে বিএনপির লায়ন আসলাম চৌধুরী, জামায়াতের আনোয়ার ছিদ্দিক, নেজামে ইসলাম পার্টির জাকারিয়া খালেদ, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মুহাম্মদ সিরাজুদ্দৌলা উল্লেখযোগ্য।

চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) : আসনটিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১০ জন। এর মধ্যে বিএনপির ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন, জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, স্বতন্ত্র বিএনপির দুই নেতা শাকিলা ফারজানা ও এসএম ফজলুল হক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নাসির উদ্দিন মনির, বাংলাদেশ ইসলামিক ফ্রন্টের সৈয়দ মোখতার আহমদ সিদ্দিকী উল্লেখযোগ্য। 

চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) : আসনটিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৫ জন। এর মধ্যে বিএনপির দুইজন প্রার্থী গোলাম আকবর খোন্দকার ও গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দেন। এছাড়া স্বতন্ত্র হিসেবেও মনোনয়নপত্র জমা দেন গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী। ইসলামী ফ্রন্টের ইলিয়াস নূরীও জমা দেন।

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) : আসনটিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৯ জন। এর মধ্যে বিএনপির হুম্মাম কাদের চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামীর ডা. এটিএম রেজাউল করিম উল্লেখযোগ্য। 

চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) : আসনটিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৯ জন। এরমধ্যে বিএনপির এরশাদ উল্লাহ, জামায়াতে ইসলামীর আবু নাছের, ইসলামী ফ্রন্টের হাসান আল আজহারী, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির সেহাব উদ্দিন উল্লেখযোগ্য 

চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি) : আসনটিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১২ জন। এর মধ্যে বিএনপির আবু সুফিয়ান, জামায়াতে ইসলামীর একেএম ফজলুল হক, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ, বাসদের শফি উদ্দিন কবির উল্লেখযাগ্য। 

চট্টগ্রাম-১০ (হালিশহর-পাহাড়তলী) : আসনটিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১১ জন। এর মধ্যে বিএনপির সাঈদ আল নোমান, জামায়াতে ইসলামীর শামসুজ্জামান হেলালী, ইসলামী আন্দোলনের জান্নাতুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির এমদাদ হোসেন চৌধুরী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা আলী ওসমান উল্লেখযোগ্য। 

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা) : আসনটিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১২ জন। এরমধ্যে বিএনপির আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জামায়াতের শফিউল আলম, জাতীয় পার্টির আবু তাহের, ইসলামিক ফ্রন্টের মুহাম্মদ আবু তাহের, বাসদের নিজামুল হক আল কাদেরী, বাসদের (মার্কসবাদী) দীপা মজুমদার উল্লেখযোগ্য।

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) : আসনটিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১১ জন। এর মধ্যে বিএনপির প্রার্থী এনামুল হক এনাম, জামায়াতের ডা. ফরিদুল আলম, এলডিপির এয়াকুব আলী, ইসলামী ফ্রন্টের এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু, গণঅধিকার পরিষদের ডা. এদাদুল হাছান, ইনসানিয়াত বিপ্লবের আবু তালেব হেলালী, জাতীয় পার্টির ফরিদ উদ্দীন আহমদ উল্লেখযোগ্য।

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা) : আসনটিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৯ জন। এরমধ্যে বিএনপির সরওয়ার জামাল নিজাম, জামায়াতের অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী, ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ মুহাম্মদ শাহজাহান উল্লেখযোগ্য। 

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) : আসনটিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৯ জন। এরমধ্যে বিএনপির জসীম উদ্দীন আহমেদ, এলডিপির ওমর ফারুক, ইনসানিয়াত বিপ্লবের হাফেজ ইলিয়াস শাহ উল্লেখযোগ্য। 

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) : আসনটিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৩ জন। এরমধ্যে বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমিন ও জামায়াতের শাহজাহান চৌধুরী উল্লেখযোগ্য।

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) : আসনটিতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৯ জন। এর মধ্যে বিএনপির মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী পাপ্পা, জামায়াতের জহিরুল ইসলাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লেয়াকত আলী উল্লেখযোগ্য।

খুলনা : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে খুলনা জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে মনোনয়ন ফরম জমা দান শেষ হয়েছে। রিটার্নিং অফিসার ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, খুলনার ছয়টি আসনে মোট ৪৬টি মনোনয়ন ফরম জমা পড়েছে। এতে বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা অংশ নিয়েছেন।

খুলনা-১ আসনে সর্বাধিক ১৩টি মনোনয়ন ফরম জমা হয়েছে। জাতীয় পার্টির সুনীল শুভ রায়, ইসলামী ফ্রন্টের মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, জামায়াতের কৃষ্ণ নন্দী, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কিশোর কুমার রায়, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আবু সাঈদ, জেএসডির প্রসেনজিৎ দত্ত, বিএনপির আমীর এজাজ খান, বাংলাদেশ মাইনরিটি জাতীয় পার্টির প্রবীর গোপাল রায়, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ফিরোজুল ইসলাম, গণঅধিকার পরিষদের জিএম রোকনুজ্জামান, বাংলাদেশ সমঅধিকার পরিষদের সুব্রত মণ্ডলসহ দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল ও গোবিন্দ হালদার মনোনয়ন জমা দেন।

খুলনা-২-এ চারটি মনোনয়ন ফরম জমা পড়ে। প্রার্থীরা হলেনÑ জামায়াতের শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল, বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খেলাফত মজলিসের মো. শহিদুল ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমানুল্লাহ।

খুলনা-৩ আসনে মোট ১২টি মনোনয়ন ফরম জমা হয়েছে। এর মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আ. আউয়াল, বিএনপির রকিবুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, বাসদের জনার্দন দত্ত, এনডিএমের শেখ আরমান হোসেন, জাতীয় পার্টির মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এফ এম হারুন অর রশীদসহ পাঁচজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।

খুলনা-৪ আসনে ৫টি মনোনয়ন ফরম জমা হয়েছে। প্রার্থীরা হলেনÑ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইউনুস আহম্মেদ সেখ, বিএনপির এস কে আজিজুল বারী, স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম আজমল হোসেন, খেলাফত মজলিসের এস এম সাখাওয়াত হোসাইন এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. কবিরুল ইসলাম।

খুলনা-৫ আসনে মোট ৬টি মনোনয়ন ফরম জমা পড়ে। প্রার্থীরা হলেনÑ জামায়াতের গোলাম পরওয়ার, বিএনপির মোহাম্মদ আলী আসগার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মুজিবুর রহমান, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির চিত্তরঞ্জন গোলাদার, জাতীয় পার্টির শামিম আরা পারভীন (ইয়াসমীন) এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. আব্দুল কাইউম জমাদ্দার।

খুলনা-৬ আসনে ৬টি মনোনয়ন ফরম জমা হয়েছে। প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর মো. আবুল কালাম আজাদ, বিএনপির এস এম মনিরুল হাসান (বাপ্পী), জাতীয় পার্টির মো. মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আছাদুল্লাহ ফকির, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রশান্ত কুমার মণ্ডল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আছাদুল বিশ্বাস।

নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। এদিকে মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে খুলনার রাজনৈতিক অঙ্গনে নির্বাচনী উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে।

লক্ষ্মীপুর : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুরের ৪টি আসনে ৪৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। সোমবার  বিকাল পর্যন্ত বিএনপি-জামায়াত-এনসিপি ও ইসলামী আন্দোলনসহ বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

এদিকে লক্ষ্মীপুর-১ আসন থেকে সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও দাখিল করেননি। এ আসনে মাহফুজের ভাই এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব আলম মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের বিএনপির প্রার্থী খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, জেলা জামায়াতের আমির এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া এবং লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম, ইসলামী আন্দোলনের জেলা সভাপতি মো. ইব্রাহিম মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এ ছাড়া স্ব স্ব সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী শাহাদাত হোসেন সেলিম, জাতীয় পার্টির জেলা সভাপতি মাহমুদুর রহমান মাহমুদ, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, ইসলামী আন্দোলনের জেলা সহসভাপতি জাকির হোসেন পাটওয়ারী, এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব আলম, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের রেজাউল করিম, এনডিএমের আলমগীর হোসেন, বাসদের মো. বিল্লাল হোসেন এবং লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনে বিএনপির সহশিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডির) সিনিয়র সহসভাপতি তানিয়া রব, জামায়াতে ইসলামী জেলা সেক্রেটারি এআর হাফিজ উল্যাহ, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী খালেদ সাইফুল্লাহ ও খেলাফত মজলিসের আব্দুল মতিন প্রমুখ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার লক্ষ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি সংসদীয় আসন থেকে ১৬ প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক শাহজাহান মিঞা, রাজশাহী মহানগর জামায়াতের আমির কেরামত আলী, ইসলামী ফ্রন্টের নবাব মো. শামসুল হোদা, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের আব্দুল হালিম, জাতীয় পার্টির আফজাল হোসেন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মনিরুল ইসলাম।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল-গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট) আসনে ১০ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও শেষ পর্যন্ত ৫ জন প্রার্থী তা দাখিল করেছেন। তারা হলেনÑ বিএনপির কেন্দ্রীয় বাণিজ্য বিষয়ক সহসম্পাদক আমিনুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ড. মিজানুর রহমান, কমিউনিস্ট পার্টির সাদেকুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনের ডা. ইব্রাহীম খলিল এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী খুরশিদ আলম বাচ্চু।

এ ছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারী ৫ প্রার্থীর সবাই তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এই আসনের প্রার্থীরা হলেনÑ বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হারুনুর রশীদ, জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল, জেএসডির (রব) জেলা আহ্বায়ক ফজলুর রহমান খাঁন, গণঅধিকার পরিষদের শফিকুল ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মনিরুল ইসলাম।

বান্দরবান : বান্দরবান ৩০০ নং সংসদীয় আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপিসহ ৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। 

সোমবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনির কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন প্রার্থীরা। যারা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তারা হলেনÑ বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী, জামায়াতে ইসলামীর জেলা নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ আবুল কালাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা মো. আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় পার্টি (কাদের) কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু জাফর মোহাম্মদ ওয়ালীউল্লাহ এবং এনসিপি চট্টগ্রাম বিভাগীয় তত্ত্বাবধায়ক আবু সাঈদ মো. শাহা সুজাউদ্দিন। এ সময় অন্যদের মধ্যে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবু তালেব, জেলা নির্বাচন অফিসার মো. কামরুল আলমসহ প্রার্থীদের সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের তিনটি আসনে উৎসবমুখর পরিবেশে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

গোপালগঞ্জ-১ আসন (মুকসুদপুর-কাশিয়ানী উপজেলার আংশিক) থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিমুজ্জামান সেলিম মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তিনি সোমবার দুপুরে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদ আশিক কবিরের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

গোপালগঞ্জ-২ আসন (গোপালগঞ্জ সদর-কাশিয়ানী উপজেলার আংশিক) থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী কেএম বাবর জেলা রিটার্নিং অফিসার মো. আরিফ-উজ-জামানের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

এর আগে তিনি গতকাল সোমবার দুপুরে জেলা-উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে আসেন। 

গোপালগঞ্জ-৩ (কোটালীপাড়া-টুঙ্গিপাড়া) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এসএম জিলানী সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জহিরুল আলমের কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

সোমবার দুপুরে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে সামনে আসেন এবং মুরব্বিদের সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

এ ছাড়া আসনগুলো থেকে জামায়াত, এনসিপি, গণঅধিকার পরিষদ, জাতীয় পার্টি (এরশাদ), গণফোরাম, জনতার দল, স্বতন্ত্রসহ বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

মৌলভীবাজার : জেলার চারটি আসনে মোট ৩১ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সোমবার মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন পর্যন্ত তারা মনোনয়নপত্র জমা প্রদান করেন। এর মধ্যে মৌলভীবাজার-১ আসনে ৮ জন, মৌলভীবাজার-২ আসনে ৮ জন, মৌলভীবাজার-৩ আসনে ৬ জন এবং মৌলভীবাজার-৪ আসনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। 

মৌলভীবাজার-১ : জেলার বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলা নিয়ে গঠিত মৌলভীবাজার-১ আসন। এ আসনে রয়েছে বড়লেখা পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়ন এবং জুড়ী উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার লক্ষ্যে এ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মোট ৮ জন প্রার্থী। তারা হলেনÑ বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী লোকমান আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী সাইফুল ইসলাম, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী আহমদ রিয়াজ, গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী আব্দুন নূর তালুকদার, গণফ্রন্ট-১ মনোনীত প্রার্থী মো. শরিফুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী বেলাল আহমদ।

মৌলভীবাজার-১ আসনটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৮১৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭২ হাজার ৯৯৮ জন, মহিলা ভোটার ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮১৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) ভোটার দুজন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে দুই উপজেলায় ১১৩টি স্থায়ী ভোটকেন্দ্রে ৬৩২টি ভোটকক্ষে (৬১০টি স্থায়ী ও ২২টি অস্থায়ী) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

মৌলভীবাজার-২ আসনে ৮ প্রার্থী। তারা হলেনÑ বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. শওকতুল ইসলাম শকু, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. সায়েদ আলী, ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী আব্দুল কুদ্দুস, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুল মালিক, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মনোনীত প্রার্থী সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী এম জিমিউর রহমান চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী নওয়াব আলী আব্বাছ খাঁন ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ফজলুল খান।

মৌলভীবাজার-৩ আসনে (সদর ও রাজনগর উপজেলা নিয়ে গঠিত) ৬ প্রার্থী। তারা হলেনÑ বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম নাসের রহমান, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুল মান্নান, স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজিনা নাসের, খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী আহমদ বিলাল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান কামালী ও কমিউনিস্ট পার্টি মনোনীত প্রার্থী জহর লাল দত্ত।

মৌলভীবাজার-৪ আসন : জেলার শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত মৌলভীবাজার-৪ আসন। ৯ প্রার্থী। তারা হলেনÑ বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী (হাজী মুজিব), স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা মো. মহসিন মিয়া মধু, জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুর রব, এনসিপির প্রীতম দাশ, খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী শেখ নূরে আলম হামিদী, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ জরিপ হোসেন, বাসদ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল হাসান, বিএনপি নেতা জালাল উদ্দিন আহমদ জিপু ও মুঈদ আশিক চিশতী।

রাজবাড়ী : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে রাজবাড়ী-১ আসনে চারজন ও রাজবাড়ী-২ আসনে ১২ প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার সুলতানা আক্তার জানিয়েছেন, রাজবাড়ী-১ (সদর-গোয়ালন্দ) আসনে বিএনপি মনোনীত আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত অ্যাডভোকেট মো. নুরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টি মনোনীত অ্যাডভোকেট খন্দকার হাবিবুর রহমান বাচ্চু, জাকের পার্টি মনোনীত মোহাম্মদ আলী বিশ্বাস।

রাজবাড়ী-২ (পাংশা-বালিয়াকান্দি-কালুখালী) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত মো. হারুন অর রশীদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ মাস্টার, গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত জাহিদ শেখ, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত জামিল হিযাজী, জাতীয় পার্টি মনোনীত মো. শফিউল আজম খান, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট মনোনীত মো. আব্দুল মালেক মণ্ডল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ মনোনীত কাজী মিনহাজুল আলম, মো. কুতুব উদ্দিন, বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলন মোহা. আব্দুল মালেক, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিএনপি নেতা মুজাহিদুল আলম, সাবেক এমপি নাসিরুল হক সাবু, সোহেল মোল্যা মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

হবিগঞ্জ : হবিগঞ্জের চারটি আসনে ২২ প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। সোমবার জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত আরেফীন ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারদের কাছে এই মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবুল হাসেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ড. রেজা কিবরিয়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক এমপি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শেখ সুজাত মিয়া, জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান আলী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের প্রার্থী কাজী তোফায়েল আহমেদ, খেলাফত মজলিসের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী মাওলানা বদরুর রেজা।

হবিগঞ্জ-২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. সাখায়াত হাসান জীবন, খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা আব্দুল বাছিত আজাদ, জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের) মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মোক্তাদির চৌধুরী অপু, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. নোমান আহমেদ সাদীক, বাসদের মনোনীত প্রার্থী লোকমান আহমেদ তালুকদার ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সাংবাদিক আফছার আহমেদ রূপক।

হবিগঞ্জ-৩ (সদর, লাখাই ও শায়েস্তাগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ জিকে গউছ, জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী কাজী মহসিন আহমেদ, গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী চৌধুরী আশরাফুল বারী নোমান, জাতীয় পার্টি (জিএম কাদের) মনোনীত প্রার্থী আব্দুল মুমিন চৌধুরী বুলবুল, ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী গোলাম সারওয়ার ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী আলহাজ মহিব উদ্দিন আহমেদ সোহেল, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক জোট মনোনীত প্রার্থী শাহিনুর রহমান।

হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি এসএম ফয়সল, স্বতন্ত্র প্রার্থী সালেহ আহমদ সাজন, বাসদ মনোনীত প্রার্থী মুজিবুর রহমান।

রাজশাহী : রাজশাহী-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দীন, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেক মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

রাজশাহী-২ : বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. মো. জাহাঙ্গীর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ ফজলুল করীম।

রাজশাহী-৩ : বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শফিকুল হক মিলন, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ।

রাজশাহী-৪ : বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডিএম জিয়াউর রহমান জিয়া, জাময়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. আব্দুল বারী সরদার, জাতীয় পার্টির প্রার্থী ফজলুল হক।

রাজশাহী-৫ : বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মণ্ডল, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মঞ্জুর রহমান,

স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা জুলফার নাইম মোস্তফা বিশ্বয়, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা এবং প্রবাসী মো. রেজাউল করিম, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির পুঠিয়া উপজেলার সহসভাপতি ইশফা খায়রুল হক শিমুল, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপি নেতা আইনজীবী রায়হান কাওছার।

রাজশাহী-৬ : বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবু সাঈদ চাঁদ, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ নাজমুল হক, জাতীয় পার্টির জিএম কাদের সমর্থিত প্রার্থী মো. ইকবাল হোসেন।

রংপুর : রংপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন প্রার্থীরা। সোমবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ৮ উপজেলায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করে বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন, এনসিপি, জাতীয় পার্টি, বাসদ, স্বতন্ত্রসহ অর্ধশতাধিক প্রার্থী। হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে রংপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, রংপুর সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন রংপুর-৩ (সদর ও সিটি করপোরেশন) আসনের প্রার্থী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের, বদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনের প্রার্থী জামায়াতের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম।

এ ছাড়া মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া ও আংশিক সিটি করপোরেশন) আসনে বিএনপির প্রার্থী মোকাররম হোসেন সুজন, জামায়াতের প্রার্থী রায়হান সিরাজী, জাতীয় পার্টির প্রার্থী ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলী, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী এটিএম গোলাম মোস্তফা বাবু, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী আবু হানিফ খান সজীব।

রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনে ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মদ আশরাফ আলী, বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার, জাতীয় পার্টির আনিছুল ইসলাম মণ্ডল।

রংপুর-৩ (সদর ও সিটি করপোরশন) আসনে বিএনপির সামসুজ্জামান সামু, জামায়াতের মাহবুবার রহমান বেলাল, ইসলামী আন্দোলনের আমিরুজ্জামান পিয়াল, বাসদের আব্দুল কুদ্দুস, বাসদের (মার্কসবাদী) আনোয়ার হোসেন বাবলু, স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপি বিদ্রোহী) রিটা রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী তৃতীয় লিঙ্গের আনোয়ারা ইসলাম রানী।

রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা, জাতীয় পার্টির আবু নাসের শাহ মো. মাহবুবার রহমান, ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মদ জাহিদ হোসেন।

রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে বিএনপির গোলাম রব্বানী, জামায়াতের গোলাম রব্বানী, জাতীয় পার্টির ফখর-উজ-জামান জাহাঙ্গীর, ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মদ গোলজার হোসেন।

রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে বিএনপির সাইফুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর মো. নুরুল আমিন, ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মদ সুলতান মাহমুদ, জাতীয় পার্টির নুরে আলম যাদু মিয়া।

ফেনী : ফেনীর তিনটি সংসদীয় আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র ৩৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে ফেনী-১ আসনে ১০ জন, ফেনী-২ আসনে ১৪ জন ও ফেনী-৩ আসনে ১১ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। সোমবার মনোনয়ন জমার শেষ দিন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মনিরা হক এ তথ্য জানান।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, ফেনী-১ (ছাগলনাইয়া-ফুলগাজী-পরশুরাম) আসনে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেন দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। দুপুরে তার পক্ষে দলটির নেতাকর্মীরা এ মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মনোনয়ন দিয়েছেন কাজী গোলাম কিবরিয়া, জামায়াত ইসলাম থেকে এসএম কামাল উদ্দিন, জাতীয় পার্টি থেকে মোতাহের হোসেন চৌধুরী, গণমুক্তি জোট থেকে মাহবুব মোর্শেদ মজুমদার, খেলাফত মজলিস থেকে মোহাম্মদ নাজমুল আলম, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন থেকে আনোয়ার উল্ল্যাহ ভূঞা, বাংলাদেশ কংগ্রেস থেকে মো. ফিরোজ উদ্দিন ভূঁইয়া ও স্বতন্ত্র হিসেবে নিজাম উদ্দিন ভূঞা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

ফেনী-২ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১৪ জন। এর মধ্যে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক জয়নাল আবদিন, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মোহাম্মদ একরামুল হক ভূঁঞা, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) থেকে সামসুদ্দিন মজুমদার, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল মার্কসবাদী (বাসদ) থেকে জসিম উদ্দিন, খেলাফত মজলিশ থেকে মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন থেকে মোহাম্মদ আবুল হোসেন, গণঅধিকার পরিষদ থেকে মো. তারেকুল ইসলাম ভূঞা, আমজনতার দলের সাইফুল করিম মজুমদার, ইনসানিয়াত বিপ্লবের তাহেরুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে মো. হারুনুর রশিদ ভূঞা। এ ছাড়া স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এয়াকুব নবী, কানাডা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক এসএম হুমায়ুন কবীর পাটওয়ারী ও মো. ইসমাইল। 

অন্যদিকে ফেনী-৩ আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ১১ জন। এর মধ্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আওয়াল মিন্টু, ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রার্থী মো. হাসান আহমদ, জাতীয় পার্টি থেকে মো. আবু সুফিয়ান, জামায়াতে ইসলাম থেকে মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে মো. সাইফ উদ্দিন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন থেকে মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান পাটোয়ারী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে মোহাম্মদ আলী, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ থেকে মো. আবু নাছের ও সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) থেকে আবদুল মালেক মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে খালেদ মাহমুদ ও জেলা বিএনপির সদস্য মাহবুবুল হক রিপন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এর আগে ফেনী-১ আসনে ১৩ জন, ফেনী-২ আসনে ১৮ জন এবং ফেনী-৩ আসনে ১৬ জনসহ মোট ৪৭ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন।

নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে পাঁচটি সংসদীয় আসনে ৫৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর আগে এসব আসন থেকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ৯১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। সোমবার নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাচন কমিশন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) : রূপগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-১ আসন। এ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া, জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মো. আনোয়ার হোসেন মোল্লা, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ দুলাল, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. রেহান আফজাল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ইমদাদুল্লাহ, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির মো. মনিরুজ্জামান চন্দন, গণঅধিকার পরিষদের ওয়াসিম উদ্দিন এবং স্বতন্ত্র মো. হামিদুল হক খোকন। 

নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) : বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম আজাদ ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মোল্লাসহ ১০ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। 

নারায়ণগঞ্জ-৩ (সিদ্ধিরগঞ্জ-সোনারগাঁ) : আসনে বিএনপি মনোনীত আজহারুল ইসলাম মান্নান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুন মাহমুদ, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়াসহ ১১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা) : আসনে বিএনপি ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম জোটের প্রার্থী মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী, স্বতন্ত্র মোহাম্মদ আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ্ আলন, স্বতন্ত্র প্রার্থী গিয়াসউদ্দিন, জামায়াত ও এনসিপি জোটের মনোনীত প্রার্থী আল আমিন, খেলাফত মজলিসের ইলিয়াস আহমেদ, রিপাবলিক পার্টির আবু হানিফ হৃদয়সহ ১৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। 

নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) : বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী আমজাদ, খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী এবিএম সিরাজুল মামুন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী বাহাদুর শাহ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেনসহ ১৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। 

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত নির্বাচন অফিসার মো. রাকিবুজ্জামান বলেন, নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনে ৫৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র গতকাল জমা দিয়েছেন। 

কুমিল্লা : কুমিল্লার ১১টি আসনে ১১৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। সোমবার সন্ধ্যায় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, কুমিল্লা-১ আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশারফ হোসেনসহ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ১২ প্রার্থী। কুমিল্লা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী খালেদা জিয়ার সাবেক এপিএস ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন ও জামায়াত প্রার্থী নাজিম উদ্দিন মোল্লাসহ ১১ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। কুমিল্লা-৩ আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ ও জামায়াত প্রার্থী ইউসুফ হাকিম সোহেলসহ ৯ জন, কুমিল্লা-৪ আসনে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও বিএনপির মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীসহ আটজন, কুমিল্লা-৫ আসনে বিএনপির জসীম উদ্দিন ও জামায়াতের ড. মোবারক হোসেনসহ ১১ জন, কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ও দল মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হক চৌধুরী, জামায়াত প্রার্থী দ্বীন মোহাম্মদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমিন উর রশিদ ইয়াছিনসহ ১১ জন, কুমিল্লা-৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী ড. রেদোয়ান আহমেদ ও দলটির স্বতন্ত্র প্রার্থী আতিকুল ইসলাম শাওনসহ ৯ জন, কুমিল্লা-৮ আসনে বিএনপির জাকারিয়া তাহের সুমন ও জামায়াতের শফিকুল আলম হেলালসহ ১০ জন, কুমিল্লা-৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবুল কালাম, জামায়াত প্রার্থী সারোয়ার আলম ও বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী সামিরা আজিম দোলাসহ ১৫ জন, কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়া, জামায়াত প্রার্থী ইয়াছিন আরাফাত ও বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়াসহ ৯ জন ও কুমিল্লা-১১ আসনে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ও বিএনপির কামরুল হুদাসহ ৯ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। 

চুয়াডাঙ্গা : চুয়াডাঙ্গার দুটি আসনে ১১ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শরীফুজ্জামান শরীফ, জামায়াতের অ্যাডভোকেট মাসুদ পারভেজ রাসেল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাসানুজ্জামান সজিব, এবি পার্টির আব্দুল্লাহ আল মামুন ও এনসিপির মোল্লা এহসান ফারুক।

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির মাহমুদ হাসান খান বাবু, জামায়াতের রুহুল আমিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জহুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ কংগ্রেসের নুর হাকিম ও এবি পার্টির আলমগীর হোসেন।

চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মশিউর রহমান জানান, চুয়াডাঙ্গার দুটি সংসদীয় আসনে ১২ প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

বরগুনা : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বরগুনার দুটি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। সোমবার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে এসব মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়।

বরগুনা-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা। খেলাফত মজলিসের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন মাহমুদুল হোসাইন অলি উল্লাহ। অপরদিকে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুন, জাতীয় পাটি-জেপি মনোনয়নপত্র দাখিল করেন মো. জামাল হোসাইন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন মশিউর রহমান। এ নিয়ে মোট ৬ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

বরগুনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন মো. নুরুল ইসলাম মনি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন মিজানুর রহমান কামেসী। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন ডা. সুলতান আহমেদ, বাংলাদেশ কংগ্রেস মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন মো. সাব্বির আহমেদ, জাতীয় পাটির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন আব্দুস লতিফ ফরাজী, খেলাফত মজলিসের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন মো. রফিকুল ইসলাম এবং মো. শামীম স্বতন্ত্রভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এ নিয়ে মোট ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এ ছাড়া অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে জেলায় মোট ১৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

ঝালকাঠি : ঝালকাঠি-১ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি মনোনীত রফিকুল ইসলাম জামাল, জামায়াতের ড. ফয়জুল হক, ইসলামী আন্দোলনের ইব্রাহীম আল হাদী, এনসিপির মাহামুদা আলম মিতু, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, স্বতন্ত্র (বিএনপি) গোলাম আজম সৈকত, জাতীয় পার্টি কামরুজ্জামান খান, জাতীয় পার্টি জেপি এনামুল ইসলাম রুবেল, জাসদ (জেএসডি) সোহরাব হোসেন, স্বতন্ত্র (বিএনপি) মঈন আলম ফিরোজী, জনতা দলের জসিম উদ্দিন তালুকদার, গণঅধিকার পরিষদের শাহাদাত হোসেন, জাতীয় পার্টি (জেপি) মাহিবুল ইসলাম মাহিম, স্বতন্ত্র (বিএনপি নেতা) কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান, স্বতন্ত্র (বিএনপি) সাব্বির আহমেদ।

ঝালকাঠি-২ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো, জামায়াতের শেখ নেয়ামুল করিম, ইসলামী আন্দোলনের সিরাজুল ইসলাম সিরাজী, এবি পার্টির শেখ জামাল হোসেন, জাতীয় পার্টির এমএ কুদ্দুস খান, জাসদ (জেএসডি) মাসুদ পারভেজ, গণঅধিকার পরিষদের মাইনুল ইসলাম সাগর, মো. নুরুদ্দীন সরদার (স্বতন্ত্র), সৈয়দ রাজ্জাক আলী (স্বতন্ত্র), 

জেলার দুটি আসনে মোট ২৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে ঝালকাঠি-১ আসনে ১৫ জন এবং ঝালকাঠি-২ আসনে ১০ জন।

খাগড়াছড়ি : খাগড়াছড়ি-২৯৮ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমাদান কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আলাওয়ার সাদাত মোট ১৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন।

রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে মোট ১৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী মনজিলা সুলতানা ঝুমা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত ১৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

এদিন রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মো. এয়াকুব আলী চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আউসার আজিজী, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মিথিলা রোয়াজা, গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী দিনময় রোয়াজা, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের প্রার্থী মো. মোস্তফা, ইনসানিয়াত বাংলাদেশের প্রার্থী মো. নূর ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা আনোয়ার হোসাইন মিয়াজী, বাংলাদেশ মাইনোরিটি জনতার পার্টি (বিএমজেপি) মনোনীত প্রার্থী উশ্যেপ্রু মারমা এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন সমীরণ দেওয়ান, সোনা রতন চাকমা, ধর্মজ্যোতি চাকমা, লাব্রিচাই মারমা, সন্তোষিত চাকমা বকুল ও জিরুনা ত্রিপুরা। অন্যদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী মনজিলা সুলতানা ঝুমা ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। ফলে তার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়নি।

নেত্রকোণা : নেত্রকোণার ৫টি সংসদীয় আসনে মোট ৪২ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। তবে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিনে সোমবার ৩০ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও নেত্রকোণার জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

নেত্রকোণা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসন : আসনটিতে বিএনপি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, স্বতন্ত্র মো. লুৎফর রহমান (ডিপ্টি), খেলাফত মজলিস থেকে গোলাম রব্বানী, জাতীয় পার্টির পার্থী আনোয়ার হোসেন খান শান্ত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আব্দুল মান্নান সোহাগ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের মো. বেলাল হোসেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো. আলকাছ উদ্দিন মীর। 

নেত্রকোণা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসন : এ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জেলা কমিটির সভাপতি চিকিৎসক অধ্যাপক মো. আনোয়ারুল হক, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সাবেক জেলা আমির মাওলানা এনামূল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম, ইসলামী ঐক্যজোটের মো. শরিফ উদ্দিন তালুকদার, জাতীয় পার্টির এবিএম রফিকুল ইসলাম তালুকদার, এনসিপির মো. ফাহিম রহমান খান পাঠান, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আব্দুর রহিম। 

নেত্রকোণা-৩ (কেন্দুয়া-আটপাড়া) আসন : আসনটিতে কেন্দ্রীয় বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী, স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া দুলাল, জাতীয় পার্টির মো. আবুল হোসেন তালুকদার, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. শামছুদ্দোহা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জাকির হোসেন, জামায়াত প্রার্থী জেলা কমিটির শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য খায়রুল কবির নিয়োগী। 

নেত্রকোণা-৪ (মদন-মোহনগঞ্জ-খালিয়াজুরী) আসন : এ আসনে বিএনপির সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আল হেলাল, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির জলি তালুকদার, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির চম্পা রানী সরকার, স্বতন্ত্র তাহমিনা জামান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ মাওলানা মুখলেছুর রহমান। 

নেত্রকোণা-৫ (পূর্বধলা) আসন : আসনটিতে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের তালুকদার, জামায়াতে ইসলামীর মাসুম মোস্তফা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. নূরুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির ওয়াহিদুজ্জামান আজাদ। 

কুষ্টিয়া : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া জেলার ৪টি সংসদীয় আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও বি‌দ্রোহী মিলিয়ে মোট ৩৩ প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এদের মধ্যে বিএন‌পির বিদ্রোহী ৩ জন ও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী র‌য়ে‌ছেন। 

কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনে বিএন‌পি মনোনীত প্রার্থী রেজা আহ‌মেদ বাচ্চু মোল্লা, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নুরুজ্জামান, জামায়াতে ইসলামীর বেলাল উদ্দীন, ইসলামী আন্দোলন বাংলা‌দে‌শের আমিনুল ইসলাম, জাতীয় পা‌র্টির শাহ‌রিয়ার জা‌মিল, বাংলা‌দেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোহা. ব‌দিরুজ্জামান, গণঅধিকার প‌রিষ‌দের শাহাবুল ইসলাম, জাতীয় সমাজতা‌ন্ত্রিক দলের গিয়াস উদ্দিন।

কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনে বিএন‌পি ম‌নোনীত ব‌্যা‌রিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী, জামায়া‌তে ইসলামীর আব্দুল গফুর, বাংলা‌দেশ ক‌মিউনিস্ট পা‌র্টির নুর উদ্দিন আহ‌মেদ, খেলাফত মজ‌লিসের আব্দুল হা‌মিদ, ইসলা‌মিক ফ্রন্ট বাংলা‌দে‌শের বাবুল আক্তার, ইসলামী আন্দোলন বাংলা‌দে‌শের মো. আলী, বাংলা‌দেশ খেলাফত মজ‌লিসের আরিফুজ্জামান, স্বতন্ত্র আল আহসানুল হক। 

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বিএন‌পি মনোনীত প্রকৌশলী জা‌কির হো‌সেন সরকার, জামায়া‌তে ইসলামীর আমির হামজা, খেলাফত মজ‌লিসের সিরাজুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলা‌দে‌শের আব্দুল্লাহ্ আকন্দ, গণঅধিকার প‌রিষ‌দের শ‌রিফুল ইসলাম, বাংলা‌দেশ সমাজতা‌ন্ত্রিক দলের (বাসদ) মীর নাজমুল ইসলাম, বাংলা‌দেশ রিপাব‌লিকান পা‌র্টির মোছা. রুম্পা খাতুন। 

কুষ্টিয়া-৪ (কুমারখালী-খোকসা) আসনে বিএন‌পি মনোনীত সৈয়দ মে‌হেদী আহ‌মেদ রুমী, বি‌দ্রোহী নুরুল ইসলাম আনছার, বি‌দ্রোহী শেখ সাদী, জামায়া‌তে ইসলামীর আফজাল হো‌সেন, বাংলা‌দেশ লেবার পা‌র্টির শ‌হিদুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলা‌দে‌শের আনোয়ার খান, বাংলা‌দেশ সুপ্রীম পার্টির (এএসপি) খায়রুল ইসলাম, বাংলা‌দেশ মাইনোরি‌টি জনতা পা‌র্টির (বিএম‌জে‌পি) তরুন কুমার ঘোষ, গণফোরা‌মের আব্দুল হা‌কিম মিয়া, আমার বাংলা‌দেশ পা‌র্টির (এবি পা‌র্টি) আবু বক্কর সি‌দ্দিক। 

কিশোরগঞ্জ : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে কিশোরগঞ্জে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে শেষ দিনে মনোনয়নপত্র জমা দেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

কিশোরগঞ্জ-১ (সদর ও হোসেনপুর) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন অধ্যাপক মোসাদ্দেক ভূঁইয়া। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন মাওলানা আজিজুর রহমান জার্মানি। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন মুফতি হেদায়াতুল্লাহ হাদী। তারা কিশোরগঞ্জ জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক আসলাম মোল্লার হাতে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন মাওলানা শফিকুল ইসলাম মোড়ল। গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন মো. শফিকুল ইসলাম শফীক। তারা কিশোরগঞ্জ জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক আসলাম মোল্লার হাতে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ ও তাড়াইল) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. ওসমান ফারুক। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ডা. কর্নেল (অব.) জেহাদ খান। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন মাওলানা আলমগীর হোসেন তালুকদার। তারা কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলা রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তারের হাতে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী ও বাজিতপুর) আসনে স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন অধ্যাপক মো. রমজান আলী। বাজিতপুর উপজেলা রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম সোহাগের হাতে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

জয়পুরহাট : রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জয়পুরহাটের দুটি সংসদীয় আসনে মোট ১৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এরমধ্যে জয়পুরহাট-১ (সদর ও পাঁচবিবি) আসনে ৮ জন এবং জয়পুরহাট-২ (আক্কেলপুর, ক্ষেতলাল ও কালাই) আসনে ৬ জন প্রার্থী রয়েছেন।

জয়পুরহাট-১ আসনে বিএনপির দলীয় প্রার্থী মো. মাসুদ রানা প্রধান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ফজলুর রহমান সাঈদ, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী তৌফিকা দেওয়ান, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ওয়াজেদ পারভেজ, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি) সুলতান মো. শামছুজ্জামান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস আনোয়ার হোসেন, স্বতন্ত্র জালাল উদ্দিন মণ্ডল এবং স্বতন্ত্র সাবেকুন নাহার।

জয়পুরহাট-২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এসএম রাশেদুল আলম সবুজ, বিএনপির মো. আব্দুল বারী, আমার বাংলাদেশ পাটি (এবি) এসএম জাহিদ, স্বতন্ত্র মো. আমিনুর ইসলাম, স্বতন্ত্র গোলাম মোস্তফা এবং স্বতন্ত্র আব্বাস আলী।

নরসিংদী : নরসিংদী-১ (সদর) আসনে বিএনপি প্রার্থী খায়রুল কবির খোকন, জামায়াত প্রার্থী মো. ইব্রাহিম ভূঁইয়া, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী মো. আশরাফ হোসেন ভূঁইয়া, ইনসানিয়াত বিপ্লব প্রার্থী হামিদুল হক পারভেজ, বাংলাদেশ গণঅধিকার পরিষদ প্রার্থী শিরিন আক্তার, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন, জাতীয় পার্টি প্রার্থী সাবেক এমপি মো. মোস্তফা জামান, গণফোরাম প্রার্থী শহিদুজ্জামান চৌধুরী মনোনয়নপত্র জমা দেন।

নরসিংদী-২ (পলাশ): আসনে বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, জামায়াত প্রার্থী মো. আমজাদ হোসাইন, এনসিপি প্রার্থী মো. গোলাম সারোয়ার (তুষার), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মুহসীন আহমেদ, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ প্রার্থী আসিফ ইকবাল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস প্রার্থী মো. ফারুক ভূঁইয়া, জাতীয় পার্টি প্রার্থী এএনএম রফিকুল আলম সেলিম, ইনসানিয়াত বিপ্লব প্রার্থী মোহাম্মদ ইব্রাহিম।

নরসিংদী-৩ (শিবপুর): বিএনপি প্রার্থী মন্জুর এলাহী, জামায়াত প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান কাউসার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী মো. ওয়ারেজ হোসেন ভূঁইয়া, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস প্রার্থী মো. রাকিবুল ইসলাম (রাকিব), জাকের পার্টি প্রার্থী আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম আলী পাঠান, ইনসানিয়াত বিপ্লব প্রার্থী রায়হান মিয়া, জাতীয় পার্টি প্রার্থী রেজাউল করিম বাছেদ, গণফোরাম প্রার্থী একেএম জগলুল হায়দার আফ্রিক, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আবদুল মান্নান ভূঁইয়া পরিষদের সদস্য সচিব মো. আরিফ-উল-ইসলাম মৃধা। জনতার দল প্রার্থী মো. এনামুল হক।

নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাব): বিএনপি প্রার্থী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, জামায়াত প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম, ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী মো. সাইফুল্লাহ, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি প্রার্থী কাজী সাজ্জাদ জহির, জনতার দল আবু দার্দা মো. মাজ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস প্রার্থী মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ প্রার্থী মুহাম্মদ মিলন মিয়া, জাতীয় পার্টি প্রার্থী মো. কামাল উদ্দিন, বাংলাদেশ কংগ্রেস প্রার্থী শফিকুল ইসলাম

নরসিংদী-৫ (রায়পুরা): বিএনপি প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো. আশরাফ উদ্দিন বকুল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী বদরুজ্জামান উজ্জ্বল, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ প্রার্থী তাহমিনা আক্তার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস প্রার্থী তাজুল ইসলাম, জাতীয় পার্টি প্রার্থী মেহেরুন্নেছা খান পন্নী (হেনা), স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নরসিংদী জেলা বিএনপির সহসভাপতি জামাল আহমেদ চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মো. গোলাপ মিয়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মো. পনির হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মো. সুলায়মান খন্দকার, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট প্রার্থী মশিউর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার তৌফিকুর রহমান।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা