চুয়াডাঙ্গা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ১০:৩০ এএম
আপডেট : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ১১:৫৯ এএম
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা নীমতলা সীমান্ত এলাকা দিয়ে ১৪ ভারতীয় নাগরিককে রাতের আঁধারে পুশইন করার অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে যেকোনো সময় তাদের সীমান্তে জড়ো করে বাংলাদেশে পাঠানো হয়। এরপর তারা সীমান্ত থেকে চার কিলোমিটার পায়ে হেটে এসে দর্শনা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় আশ্রয় নেন।
শুক্রবার রাত দশটার দিকে তাদের দর্শনা বাসস্ট্যান্ডে স্থানীয়রা শীতের পোশাক ও খাবার দিয়ে সহযোগিতা করে একটি দোকানের সামনে রাখে।
খবর পেয়ে দর্শনা থানা পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা এসে তাদের উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা হাসপাতালে নেয়।
তারা সবাই এক পরিবারের। তাদের মধ্যে পুরুষ ৫ জন, নারী ৬ জন, শিশু ৪ জন। তারা সবাই হিন্দি ভাষাভাষী।
পুশইন হওয়া ব্যক্তিরা জানান, তারা সবাই মুসলিম। ভারতের উড়িষ্যার নাগরিক। সেখানে তাদের বাড়িঘর আছে। ভারতীয় পুলিশ তাদের বাংলাদেশি সন্দেহে জেলে পাঠায়। এ সময় তাদের আধার কার্ড, রেশন কার্ড ‘কেড়ে নেয়’। এরপর তারা উড়িষ্যার জেলে ছিলেন একমাস পাঁচদিন। সেখান থেকে দুদিন আগে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। তারপর নদীয়া জেলার গেঁদে সীমান্ত এনে কাঁটাতারের বেড়ার গেট খুল মধ্য রাতের পর বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেয়।
দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, তারা সবাই ভারতীয় বলে জানতে পেরেছি। অনেকেই অসুস্থ। হাসপাতালে নিয়ে আগে চিকিৎসা করানো হবে। তারপর ডিসি-ইউএনও স্যারের নির্দেশনায় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।