হাসপাতালে আড়াই কোটি টাকার ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ
আঞ্চলিক প্রতিবেদক, সুনামগঞ্জ
প্রকাশ : ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৯:৫৮ পিএম
আপডেট : ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ ২০:০৬ পিএম
সুনামগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের গুদামে বিপুল পরিমাণ ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। প্রায় আড়াই কোটি টাকা মূল্যের সরকারি ওষুধ নষ্ট হওয়ার কারণ চিহ্নিত করে সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়ার কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুনজিত কুমার চন্দ জেলা প্রশাসকের কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেন। এ সময় কমিটির সদস্য সচিব ও ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. শুকদেব সাহা এবং পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) চাতক চাকমা উপস্থিত ছিলেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের শুরুর দিকে মেয়াদোত্তীর্ণ এসব ওষুধ ও প্যাথলজি সামগ্রী হাসপাতালে সরবরাহ করে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। হাসপাতালের তৎকালীন তত্ত্বাবধায়কের মৌখিক নির্দেশে তৎকালীন স্টোরকিপার সুলেমান আহমদ ওষুধগুলো সংগ্রহ করে হাসপাতালের গুদাম ও বারান্দায় রেখেছিলেন। পরে ওই বছরের ১২ মে তত্ত্বাবধায়ক (উপপরিচালক) হিসেবে যোগ দেন ডা. মো. মাহবুবুর রহমান। তিনি এসব ওষুধ ও প্যাথলজি সামগ্রী সরবরাহের কোনো কার্যাদেশ না থাকায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বিল দেননি। এজন্য ওষুধগুলো সেখানেই পড়ে ছিল।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুনজিত কুমার চন্দ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘জেলা প্রশাসক (ডিসি) স্যারের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।’
জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, ‘২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে প্রায় আড়াই কোটি টাকা মূল্যের ওষুধ মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছিলাম। সোমবার তদন্ত কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন আমার কাছে হস্তান্তর করেছেন।