বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া ) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৫:৫৯ পিএম
আপডেট : ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৬:০৭ পিএম
নির্বাচন কমিশন সময়সীমা বেঁধে দিলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে তার বাস্তব প্রতিফলন এখনো স্পষ্ট নয়। উপজেলার বিভিন্ন সড়ক ও জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় প্রার্থীদের ব্যানার, পোস্টার ও বিলবোর্ড এখনো ঝুলতে দেখা যাচ্ছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, তফসিল ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আগাম নির্বাচনী প্রচারের সব
উপকরণ সরিয়ে নেওয়ার কথা থাকলেও একাধিক প্রার্থী সেই বাধ্যবাধকতা মানেননি বলে
অভিযোগ উঠেছে। ফলে নির্বাচন আচরণবিধি কার্যকর করা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে
জানানো হয়েছে, আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি
নজরে এলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে শাস্তিমূলক
ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশন প্রয়োজনীয় সব
পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
এর আগে নির্বাচন ব্যবস্থাপনা
শাখা স্থানীয় সরকার বিভাগকে পাঠানো এক নির্দেশনায় উল্লেখ করে, পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড, দেয়াললিখন, তোরণ, গেট, প্যান্ডেল, আলোকসজ্জা এবং নির্বাচনী ক্যাম্পসহ সব ধরনের প্রচারসামগ্রী
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিজ খরচে অপসারণ করতে হবে। বিষয়টি বাস্তবায়নে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদগুলোকে সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দেওয়া
হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বাঞ্ছারামপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, গণঅধিকার পরিষদ, ইসলামী আন্দোলন, গণসংহতি আন্দোলন ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রচারসামগ্রী
এখনো দৃশ্যমান। এর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের ব্যানার ও পোস্টারের আধিক্য
বেশি লক্ষ্য করা গেছে।
বিশেষ করে বাঞ্ছারামপুর থেকে
বাঁশগাড়ি সড়কজুড়ে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ব্যারিস্টার নাসের খান অপুর ছবি ও দলীয়
প্রতীক সংবলিত প্রচারসামগ্রী নজরে পড়ে। পাশাপাশি গণঅধিকার পরিষদের এস কে শফিকুল
ইসলাম (শুভ), স্বতন্ত্র প্রার্থী
কর্নেল শাহ মুর্তজা আলী, বাংলাদেশ
ইসলামী ছাত্রসেনার মাওলানা আবু নাছের মোহাম্মদ মুছা, মুশফিকুর রহমান ও এম এ হান্নানসহ অন্য প্রার্থীদের
ব্যানার-পোস্টারও বিভিন্ন স্থানে দেখা গেছে।
এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা
নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফেরদৌস আরা জানান, নির্বাচন আচরণবিধি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এলাকায় ঝুলে থাকা
পোস্টার ও ব্যানার অপসারণে প্রশাসনের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।