খুলনা অফিস
প্রকাশ : ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ২০:১৮ পিএম
আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ২১:৩৭ পিএম
উপকূলীয় বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে নিরাপদ পানি ব্যবস্থাপনা এবং কৌশলগত জলবায়ু-সহনশীলতা জোরদারে মিষ্টি পানির পুকুরের সম্ভাবনা নিরূপণ ও ব্যবহারিক কৌশল নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২১ ডিসেম্বর) খুলনার সিএসএস আভা সেন্টারে অনুষ্ঠিত সেমিনারে পানি ব্যবস্থাপনা এবং কৌশলগত জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা সমর্থন নির্বাচনের জন্য খুলনা বিভাগের মোরেলগঞ্জ, পাইকগাছা এবং কয়রা উপজেলাগুলোতে মিষ্টি পানির পুকুরের ম্যাপিং ও বিশ্লেষণ শীর্ষক এই অধ্যয়ন-শেয়ারিং করা হয়।
সেমিনারটি আয়োজন করা হয় বাংলাদেশে উন্নত ওয়াশ পরিষেবাগুলোতে প্রবেশগম্যতা বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায়। এতে অর্থায়ন করে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা চেরিটি : ওয়াটার। যৌথভাবে আয়োজন করে হেলভেটাস বাংলাদেশ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাটি, পানি ও পরিবেশ ডিসিপ্লিন এবং ডড়প।
গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাটি, পানি ও পরিবেশ ডিসিপ্লিনের প্রধান অধ্যাপক ড. মো. সানাউল ইসলাম। উপস্থাপনায় তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে লবণাক্ততা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ভূপৃষ্ঠস্থ মিষ্টি পানির গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তিনি পানীয়, রান্না এবং স্বাস্থ্যবিধি চর্চার জন্য নিরাপদ পানির প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে উপযুক্ত পরিস্রাবণ ও সংরক্ষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে পুকুরের পানি ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য দেন হেলভেটাস বাংলাদেশের আইওয়াশ প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক সঞ্জন কুমার বড়ুয়া। মূল উপস্থাপনা করেন ওয়াশ সমন্বয়কারী (হাইজিন প্রমোশন) মিসেস মৌ তিথি আইচ।
আলোচকদের মধ্যে ছিলেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ফরিদপুর সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, মো. জামানুর রহমান, ইউনিসেফ, খুলনার ফিল্ড অফিস প্রধান মো. কাউসার হোসেন, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জ্বল সেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. জগদীশ চন্দ্র জোয়ারদার, ডিএমসিসিএর প্রোগ্রাম ডিরেক্টর ফারুক আহমেদ।
প্যানেল আলোচনাটি পরিচালনা করেন হেলভেটাস বাংলাদেশের পানি, খাদ্য ও জলবায়ু কর্মসূচির প্রধান (হেড অব প্রোগ্রাম) মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান।
আলোচনায় সরকারি প্রতিষ্ঠান, জাতিসংঘ সংস্থার প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, উন্নয়ন অংশীদার, সাংবাদিক এবং ওয়াশ খাতের পেশাজীবীরা গবেষণার ফলাফলকে আরও কার্যকর ও বাস্তবভিত্তিক করতে গুরুত্বপূর্ণ মতামত, কারিগরি পরামর্শ এবং নীতিগত সুপারিশ প্রদান করেন।