× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

শেরপুরে ফুলকপির কেজি ২ টাকা

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৫:১৯ পিএম

ছবি: প্রবা ফটো

ছবি: প্রবা ফটো

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার সর্ববৃহৎ কাঁচা-শাক সবজির পাইকারি ফুলবাড়ি বাজার শীতকালীন সবজিতে ভরপুর। বাজারজুড়ে সবুজ শাক সবজিতে ঠাঁসা। সকাল থেকে বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা ভালো দামের আশায় তাদের উৎপাদিত সবজি বিভিন্ন যানবাহনে করে এই বাজারে আনেন।  ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড়ও থাকে অনেক বেশি। পুরো উপজেলার সকল সবজি বিক্রেতা এই সবজি হাট থেকে পাইকারিতে সবজি কিনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বাজারে বিক্রি করেন। কিন্তু, হাটে কাঙ্ক্ষিত দাম না থাকায় শীতকালীন সবজি ফুলকপির দামে ধস নেমেছে। কৃষকের গুণতে হচ্ছে লোকসান। চাহিদার তুলনায় প্রচুর আমদানি, ক্রেতা সংকট ও মজুতের সুবিধা না থাকায় বাধ্য হয়ে টাটকা শাকসবজি কম দামে বিক্রি করছেন। এতে উৎপাদন খরচ না ওঠায় কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। পাইকারি সবজি বাজারে প্রতি মন (৪০ কেজি) ফুলকপি বেচা-কেনা হয় ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকা দরে।

রবিবার (২১ ডিসেম্বর) উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের ফুলবাড়ি পাইকারি সবজি বাজার ঘুরে এমন দৃশ্যই দেখা গেছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গাড়িদহ, খামারকান্দি, মির্জাপুর, খানপুর ইউনিয়নে শীতকালীন বিভিন্ন ধরনের সবজির পাশাপাশি ফুলকপি চাষ করা হয়েছে।
কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জমি থেকে পাইকারি পর্যায়ে এক কেজি ফুলকপি দুই টাকা দরে বিক্রি করছেন তারা। অথচ একটি ফুলকপি চাষ করতে তাদের কেজিপ্রতি খরচ হয়েছে অন্তত পাঁচ থেকে সাত টাকা। চড়া দামে সার, বীজ, কীটনাশক কিনে তারা সবজি চাষ করেছেন। অথচ দুই সপ্তাহ ধরে শীতকালীন সব সবজির দামে ধস নেমেছে। এতে কম দামে সবজি বিক্রি করে উৎপাদন খরচই উঠছে না চাষিদের। এতে পুঁজি হারিয়ে কৃষকের দিশেহারা হওয়ার উপক্রম।

বাজারে আগত কৃষক রফিকুল জানান, গত এক মাস আগে ফুলকপির বাজার ছিল ২ হাজার টাকা থেকে ২৫শ টাকা মন। ১৫ দিন আগে ছিল ১ হাজার টাকা থেকে ১২শ’ টাকা মন, গত এক সপ্তাহ আগে বাজার দর ছিল ৭শ’ থেকে ৮শ’ টাকা মন। গত তিন দিন ধরে ফুলকপি বেচা কেনা হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে মন।
হঠাৎ করে বাজার দর কমে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ মজুরি খরচ ও বাজারে আনতে পরিবহন খরচও তোলা যাচ্ছে না। এ রকম বাজার দর থাকলে কৃষক ফুলকপি বিক্রি করে অর্থনৈতিক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন।
পাইকার কারিমুল জানান, গত কয়েক দিন ফুলকপি চাহিদার তুলনায় বাজারে আমদানি বেশি হয়েছে আর সেই কারণেই বাজারে ফুলকপির দাম কমে গেছে।

উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জুলফিকার হায়দার বলেন, এ বছর উপজেলায় সবজির ফলন ভালো হয়েছে। বাজারে সবজির কোনো ঘাটতি নেই। চাহিদার তুলনায় বেশি উৎপাদনের কারণে বাজারে সবজির দাম কিছুটা কম।
শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা