মার্চ টু ভারতীয় হাইকমিশন
খুলনা ও রাজশাহী অফিস
প্রকাশ : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ২০:৪২ পিএম
আপডেট : ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ২০:৪৬ পিএম
খুলনায় ‘মার্চ টু ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন’ কর্মসূচিতে বিক্ষোভ করেছে আধিপত্যবাদ বিরোধী জোট। আর রাজশাহীতে অবস্থান কর্মসূচী পালন করেছে ‘জুলাই ৩৬ মঞ্চ’। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচী ‘মার্চ টু ভারতীয় সহকারী হাইকমিশন’ পালন করেন শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টার খুলনা নগরীর রয়েল মোড় থেকে ব্যানার ও স্লোগানসহ মিছিল শুরু করেন আধিপত্যবাদ বিরোধী জোটের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি মির্জাপুর ও শামসুর রহমান রোড হয়ে সহকারী ভারতীয় হাইকমিশনারের বাসভবন ও কার্যালয়ের দিকে অগ্রসর হয়। তবে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে যৌথ বাহিনী ব্যারিকেড স্থাপন করে মিছিলকারীদের আটকে দেয়ার চেষ্টা করে। এ সময় তারা ব্যারিকেড ভেঙে সামনে চলে যায়। আরও এগোতে চাইলে পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। ফলে মিছিলকারীরা কার্যালয়ের কাছাকাছি যেতে পারেননি এবং ওখানেই অবস্থান কর্মসূচী পালন করেন। আন্দোলনকারীরা বলেন, ভারতে আশ্রয় নেওয়া বাংলাদেশি অপরাধীরা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তারা নির্দিষ্ট কয়েকটি হত্যাকাণ্ড ও হামলার ঘটনায় অভিযুক্তদের ভারতে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ তোলেন এবং তাদের ফেরত দেওয়ার দাবি জানান। আগামী ২৫ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফেরত দেওয়া না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া ঘোষণা দেন।
এদিকে, রাজশাহীতে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের অফিস অভিমুখে পদযাত্রা পুলিশি বাধার মুখে পড়লে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। তারা নিজেদেরকে জুলাই ৩৬ মঞ্চের সদস্য বলে দাবি করেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে নগরীর পদ্মা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত ভারতের সহকারী হাই কমিশনারের কার্যালয়ের ১০০ গজ দূরে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
এর আগে সকাল থেকে নগরীর ভদ্রা ও পদ্মা আবাসিক এলাকায় ক্রইসিস রেসপন্স টিমসহ বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। দুপুরে সাড়ে ১২ টার পর জুলাই ৩৬ মঞ্চের সদস্যরা নগরীর ভদ্রা হয়ে মিছিল নিয়ে সহকারী হাই কমিশনারের কার্যালয়ের দিকে অগ্রসর হয়। পদ্ম আবাসিক এলাকার ১ নং রোডে পুলিশ বাধা দিলে তারা ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এসময় ভারত বিরোধী নানা স্লোগান দিতে থাকে। পরে তারা জোহরের নামাজ ওই রাস্তায় আদায় করেন। জুলাই ৩৬ মঞ্চের সদস্য সোয়েব বলেন, ভারত বাংলাদেশর দেশের ওপর নানা ধরনের আগ্রাসন চালায়। তারা সীমান্তে একের পর এক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করছে, এ দেশের নিরপরাধ মানুষদের মারছে। অন্যদিকে হাসিনা ও তার দোসরদের ভারতে আশ্রয় দিয়েছে। তিনি ভারতে আশ্রিত ব্যক্তিদের ফেরত দেওয়ার দাবি জানান।