প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৪:৪৩ পিএম
আপডেট : ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৬:৪৭ পিএম
তিতাসের নতুন কূপ খনন বিজিএফসিএল-এর
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার সুহিলপুরে তিতাস গ্যাস ফিল্ডে নতুন একটি কূপের খনন কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল)।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে পেট্রোবাংলার পরিচালক প্রকৌশলী
মো. শোয়েবের তত্ত্বাবধায়নে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সুহিলপুরে তিতাস গ্যাস ফিল্ডের
‘সি’ লোকেশনে-২৮ নম্বর কূপটির খনন কাজ করছে একটি চীনা প্রতিষ্ঠান। ওই কূপ খনন শেষে
প্রতিদিন কমপক্ষে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করছেন প্রকল্প
সংশ্লিষ্টরা।
খনন প্রকল্প উদ্বোধন শেষে পেট্রোবাংলার পরিচালক মো. শোয়েব
বলেন, ইতোমধ্যে বিজিএফসিএল পরিচালনায় গ্যাস ফিল্ডগুলোর উৎপাদন বেড়েছে। নতুন কূপ খনন
এবং ওয়ার্কওভারে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশের জ্বালানি সংকট অনেকটাই কেটে যাবে।
এ ছাড়া তিতাসের ৩১ এবং বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ডের ১১ নম্বর
গভীর কূপ খনন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। জ্বালানি চাহিদা পূরণে পেট্রোবাংলা নিরলসভাবে
কাজ করে যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০১২ সালে গ্যাসে অনুসন্ধানে তিতাস
গ্যাস ফিল্ডের ‘সি’ লোকেশনে জরিপ চালানো হয়। এর পর ২০২০ সালে জরিপের প্রতিবেদন রিভিউ
করে তিতাস গ্যাস ফিল্ডে নতুন তিনটি কূপ খননের পরিকল্পনা হাতে নেয় বিজিএফসিএল। এই প্রকপের
আওতায় গাজীপুরে অবস্থিত কামতা গ্যাস ফিল্ডে একটি কূপ খনন করা হবে। তিতাস ও কামতা ফিল্ডে
চারটি কূপ খননে খরচ হবে এক হাজার ২৫০ কোটি টাকা। কূপগুলোর খনন শেষে প্রতিদিন জাতীয়
গ্রিডে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।খনন শেষ করতে
সময় লাগবে প্রায় দুই মাস। খনন শেষে কূপটি থেকে প্রতিদিন প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস
জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস
কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. ফারুক হোসেন, কোম্পানি সচিব মোজাহার
আলী, তিতাস ও মেঘনা ফিল্ডে চারটি কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক এ কে এম জসিম উদ্দিন ছাড়াও
আরও অনেকেই।