নারায়ণগঞ্জ অফিস
প্রকাশ : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৯:৫০ পিএম
একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের হাতে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা এখনও না হলেও প্রাথমিক তালিকায় ৫৬১ জনের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের পাঁচজন রয়েছেন।
তারা হলেনÑ ডা. হাসিময় হাজরা, ডা. মোহাম্মদ আবদুল জব্বার, এএফ জীয়াউর রহমান, ডা. লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ আমিনুল হক ও মতিলাল ঘোষ। কিন্তু কখনও এই বুদ্ধিজীবীদের নিয়ে কোনো স্মরণসভা করা হয় না।
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা প্রণয়নে ২০২০ সালে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। তালিকা যাচাই-বাছাইয়ের জন্য জাতীয় কমিটির একটি উপকমিটি ছিল। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে গত চার বছরে মন্ত্রণালয় ৫৬১ জন বুদ্ধিজীবীর নাম তালিকাভুক্ত করে চারটি গেজেট বের করে। ডা. হাসিময় হাজরা ১৯৪৬ সালের ২৩ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ডা. অনন্ত মাধব হাজরা ছিলেন ঢাকেশ্বরী কটন মিলের চিকিৎসক। শহীদ ডা. মোহাম্মদ আবদুল জব্বার ১৯৩০ সালে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার কাশীপুর গ্রামের সরদারবাড়িতে জন্ম নেন। তার বাবা আহমেদ আলী সরদার এবং মাতা আঞ্জুমান আরা বেগম। এএফ জীয়াউর রহমান ১৯২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার নওগাঁ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মোসলেহউদ্দিন ভূঁইয়া ব্রিটিশ আমলে ডিস্ট্রিক্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। শৈশবেই পিতৃহারা হন তিনি।
শহীদ বুদ্ধিজীবী ডা. লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ আমিনুল হক ও মতিলাল ঘোষ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি। ডা. লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ আমিনুল হক সেনাবাহিনীতে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ শহীদ বুদ্ধিজীবী নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ধর্মগঞ্জের বাসিন্দা ছিলেন। তার বাবা আলী মাস্টার ও মায়ের নাম আছিয়া খাতুন। শহীদ বুদ্ধিজীবী মতিলাল ঘোষের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার ঝাউগড়া গ্রামে। তিনি একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন।