পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৮:১৮ পিএম
আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৮:৩১ পিএম
রাজশাহীর পুঠিয়ায় একটু কম দামে সার পেতে কৃষকরা ডিলারের দ্বারস্থ হচ্ছেন। অথচ অনেক কৃষক সার না পেয়ে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরছেন। কেউ কেউ ঝাড়ছেন ক্ষোভ। অপরদিকে খোলাবাজারে বেশি দাম দিলেই মিলছে সার।
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) উপজেলার কয়েকটি সারের ডিলারের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, সার কিনতে কৃষকদের উপচে পড়া ভিড়। ডিলারের কাছ থেকে একজন কৃষক সার পাচ্ছেন ডিএপি ৫০ কেজি, পটাশ ২৫ কেজি ও ফসফেট ২৫ কেজির একটি করে বস্তা।
উপজেলার দাশমাড়িয়া এলাকার কৃষক আবুল কালাম দুপুর ২টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে ডিলারের কাছ থেকে সার না পেয়ে ক্ষোভে ফুঁসতে দেখা গেছে। কথা বলতেই রেগে যান। এমন অনেক কৃষক সার না পেয়ে ফিরে যেতেও দেখা গেছে।
কথা হয় একই উপজেলার বাসুদেবপুর গ্রামের জামাল উদ্দিন, তিনি আড়াই বিঘা জমিতে পেঁয়াজ ও রসুনের চাষ করবেন বলে কম টাকায় সার নিতে ডিলারের কাছে আসেন। সার না পেয়ে বলেন, আমি সকাল ৮টার সময় সার কিনতে এসেছি। দুটা বাজে এখন, সার মনে হয় পাব না। বাসায় চলে যাচ্ছি।
উপজেলার হারোখালি এলাকার কৃষক দুলাল হোসেন, তার ১০ কাঠা পেঁয়াজ (ঢেমনটা), ১০ কাঠা বেগুন, ১০ কাঠা জমিতে রয়েছে রসুন এবং ৩ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষের জন্য সাড়ে তিন কেজি কদম পেঁয়াজের চারা তৈরি করেছেন। তিনি সার না পেয়ে বলেন, সকাল থেকে এসে বসে আছি। সার পাইনি।
পুঠিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী সরকার বলেন, যারা এখনও ফসলের বীজতলা তৈরি করেননি ও যারা করেছেন, সবাই একসঙ্গে গেলে এমন সমস্যা হবেই। তবে পর্যায়ক্রমে সব কৃষক সার পাবেন।
মোবাইল ফোনে রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বলেন, শুধু নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি সার পাবেন না, সব কৃষক পাবেন।