বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৯:৪৫ পিএম
আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ২০:৩০ পিএম
নাটোরের বড়াইগ্রামে সোহাগ হোসেন (২৫) নামে এক যুবকের নিখোঁজের ৩ দিন পর পায়ের রগ কাটা ও চোখ উপড়ানো রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার
(১৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার আগ্রাণ এলাকার নির্জন স্থানের একটি গাছের শেকড়ের
ভেতর লুকানো অর্ধগলিত লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতদেহটির মুখমণ্ডল কিছুটা
থেঁতলানো, পায়ের রগ কাটা ও দুই চোখ উপড়ানো ছিল। তাকে ঘাতকরা পরিকল্পিতভাবে হত্যা
করেছে বলে মনে করছেন পুলিশ ও স্থানীয়রা। নিহত সোহাগের মূল বাড়ি রংপুর জেলায় হলেও
দীর্ঘবছর যাবত সে তার মা ও স্ত্রী-সন্তানসহ বড়াইগ্রাম থানা কার্যালয়ের গেটসংলগ্ন
নানা মৃত তয়জাল হোসেনের বাড়িতে বসবাস করে আসছিল। নিহত সোহাগের পিতার নাম
কলিমউদ্দিন সেখ। সে গত বৃহস্পতিবার রাতে তার নানা বাড়ি এলাকার আকাশ নামে এক বন্ধুর
সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে খুঁজতে
খুঁজতে তার মা আগ্রাণ এলাকায় এলে দুর্গন্ধ পেলে কাছে এসে দেখে তার ছেলেরই লাশ পড়ে
আছে। লাশ দেখে তাৎক্ষণিক সোহাগের মা জ্ঞান হারালে স্থানীয়রা উদ্ধার করে স্থানীয়
হাসাপাতালে ভর্তি করে।
বড়াইগ্রাম
থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস ছালাম
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এটি একটি পরিকল্পিত
হত্যাকাণ্ড। পুলিশ হত্যার কারণ ও হত্যার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করাসহ আটক করতে কাজ
শুরু করেছে।