× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

সার সংকটে তরমুজ চাষীরা

পটুয়াখালী প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১২ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৯:৩০ পিএম

রাঙ্গাবালী উপজেলার চরনজিরে তরমুজ ক্ষেতে সার প্রয়োগ করছেন এক চাষী। প্রবা ফটো

রাঙ্গাবালী উপজেলার চরনজিরে তরমুজ ক্ষেতে সার প্রয়োগ করছেন এক চাষী। প্রবা ফটো

পটুয়াখালীতে তরমুজ আবাদ মৌসুমে এবারও সার সংকটে পড়েছেন চাষীরা। মৌসুম শুরুতেই প্রয়োজনের তুলনায় সরবরাহ কম থাকার কৃষকরা বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। সার সংকটের কারণে তরমুজের উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন চাষীরা।

পটুয়াখালীতে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ চলতি বছর ডিসেম্বর মাসের জন্য  প্রয়োজনীয় বিভিন্ন প্রকারের সারের চাহিদা দিলেও সরবরাহ করা হয়েছে মাত্র ৪ হাজার ২৪২ টন। 

কৃষি বিভাগ জানায়, গত বছর জেলায় ২৭ হাজার ৩২৬ হেক্টর জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছিল। উৎপাদান হয়েছিল ৮ লাখ ৭৪ হাজার ৪৩২ মেট্টিক টন। যার বাজার মূল্য ছিল ন্যূনতম ৪০ টাকা কেজি দরে  ৩ হাজার ৪৫০ কোটি টাকা।

পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর জেলার ৮টি উপজেলায় ২৭ হাজার ৩২৬ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। মৌসুমের শুরুতেই চলতি নভেম্বর মাসের শেষ দিকে চাষীরা তরমুজ আবাদ শুরু করে দিয়েছে।  কৃষকরা জানিয়েছেন, প্রতি একর জমিতে টিএসপি, ইউরিয়াসহ বিভিন্ন প্রকারের ১০ থেকে ১২ বস্তা সার প্রয়োজন। কিন্তু প্রয়োজন মাফিক সার বাজারে পাওয়া যাচ্ছে না।

জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলার চর নজিরের কৃষক মাসুদ ফকির জানান, তিনি এবার ৩ একর ২২ শতাংশ জমিতে তরমুজ চাষ করছেন। তার  কমপক্ষে ৪০ বস্তার সার প্রয়োজন হলেও এ পর্যন্ত তিনি বাজার থেকে মাত্র ১০ বস্তার সার কিনতে পেরেছেন। তবে এর জন্য তাকে অতিরিক্ত টাকা গুনতে হয়েছে।

জেলার কলাপাড়া উপজেলার বানাতিপাড়া এলাকার কৃষক রুহুল আমিন জানান, তারা ১০ জন কৃষক মিলে ৫০ একর জমিতে তরমুজের আবাদ করেছেন। তাদের ৫০০ বস্তা সারের প্রয়োজন হলেও কিনতে পেরেছেন মাত্র ১০০ বস্তা সার। তিনি বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন দোকানে ঘুরেও প্রয়োজন মতো সার কিনতে পারিনি। উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছি।

পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের  বাদুরা গ্রামের তরমুজ চাষি মহিব্বুল্লাহ আজাদ বলেন, সার ব্যবসায়ীদের কাছে গেলে তারা বলছেন ডিলারদের কাছ থেকে প্রয়োজন মাফিক সার পাওয়া যাচ্ছে না ।

কৃষি বিভাগের মাঠ পর্য়ায়ের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, অনেক কৃষকই তাদের পরামর্শ নিচ্ছে না। অধিক ফলনের আশায় সার প্রয়োগ করার প্রবতা রয়েছে চাষীদের। এছাড়াও পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় সারের সংকট এড়াতে মৌসুম শুরুতেই সার সংগ্রহে নেমে পড়ে চাষীরা । আর এই সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। পর্য়ায়ক্রমে সার সংগ্রহ করলে এ সংকট থাকবে না বলে মনে করেন তারা।

এ ব্যাপারে পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. আমানুল ইসলাম জানান, জেলার কোথাও সার সংকট রয়েছে এমন তথ্য আমার কাছে নেই। তবে বিষয়টা খোঁজ নিয়ে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো। আর সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করলে প্রশাসন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। তরমুজের মৌসুম  প্রয়োজনীয় সার বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।  সারের কোনো সংকট হবে না বলে মনে করেন তিনি।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা