× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

সার্টিফিকেট বাণিজ্যের অভিযোগ টিটিসি প্রশিক্ষকের বিরুদ্ধে

মধ্যাঞ্চলীয় অফিস

প্রকাশ : ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৮:০২ পিএম

আপডেট : ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৮:২৯ পিএম

সার্টিফিকেট বাণিজ্যের অভিযোগ টিটিসি প্রশিক্ষকের বিরুদ্ধে

কিশোরগঞ্জ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) ইলেকট্রিক্যাল ট্রেডের খণ্ডকালীন প্রশিক্ষক শাহরিয়ার রশিদ অন্তরের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকারকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ ফেসবুক পোস্ট, সার্টিফিকেট বাণিজ্য, প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সিনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণসহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে।

এ সম্পর্কিত অভিযোগের বিষয়ে কর্তৃপক্ষ তাকে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলেন। কিন্তু তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) করিমগঞ্জ উপজেলা যুগ্ম সমন্বয়কারী পরিচয়ে উল্টো টিটিসির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জাভেদ রহিমের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন।

সূত্র জানায়, গত ১৫ অক্টোবর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের টিটিসি পরিদর্শনকালে অন্তর বিনা অনুমতিতে কর্মস্থল ত্যাগ করেন। এছাড়া ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইলেকট্রিক্যাল ট্রেডের প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য কাঁচামাল ক্রয় ও সরবরাহ সংক্রান্ত ব্যয়ে অফিসিয়াল ইমেইলে মিথ্যা তথ্য প্রচারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান ও কর্মকর্তাদের ভাবমূর্তি নষ্ট করেন।

ফলাফলের নথিতে দেখা যায়, গত এপ্রিল-জুন সেশনে অন্তরের ট্রেডে ২৯ জনের মধ্যে কম্পিটেন্ট হয়েছে মাত্র ৯ জন। যা প্রতিষ্ঠানের গড় মানের তুলনায় অনেক কম।

টিটিসির সিনিয়র এক প্রশিক্ষক মন্তব্য করেন, এমন কম্পিটেন্সি রেট শুধু প্রশিক্ষণার্থীদের নয়, প্রশিক্ষকের দক্ষতা ও মনোযোগকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।

অভিযোগ রয়েছে, অন্তর গত ১২ সেপ্টেম্বর ইমেইলে ইলেকট্রিক্যাল ট্রেডের ইনস্ট্রাক্টর ও ট্রেড ইনচার্জ মিজানুর রহমানকে যোগ্যতাহীন, মানহীন এবং অদক্ষ বলাসহ গালিগালাজ করেছেন। সরকারি প্রতিষ্ঠানে এমন ভাষার ব্যবহারে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেন।

সম্প্রতি প্রশিক্ষণ শেষ করা রবিউল আউয়াল বলেন, ‘আমি এখানে প্রশিক্ষণে এলে অন্তর স্যার ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। তিনি বলেন, আপনার কিছুই করতে হবে না, আমি সার্টিফিকেটের ব্যবস্থা করে দেব। এছাড়া তার ব্যক্তিগত একটি প্রশিক্ষণ সেন্টারে ভর্তি হতে জোর করেন। পরে আমি রাজি হইনি।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, ‘অন্তর এনসিপির নেতা। অধ্যক্ষ, পরিচালক তার কাছে কিছুই না। সে প্রকাশ্যে বর্তমান সরকারকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে। প্রিন্সিপালকে নিয়েও সমালোচনা করে। বলে, প্রিন্সিপালকে না সরালে তার শান্তি নেই।’

মহিনন্দন ইউনিয়নের সৌদি আরব ফেরত প্রবাসী মো. কামরুজ্জামান সজিব মিয়া বলেন, ‘টিটিসিতে ট্রেনিং করতে গেলে ইলেকট্রিক্যাল ট্রেডের প্রশিক্ষক অন্তরের সঙ্গে পরিচয় হয়। তার কাছে ভালো ভিসা আছে বলে আমাকে অফার করে এবং ভিসা বাবদ ৭ লাখ টাকা দিতে বলে। যেহেতু সে টিটিসিতে চাকরি করে, তাই বিশ্বাস করে ৭ লাখ টাকা দেই। সে আমাকে বিদেশ পাঠিয়েছে ঠিকই, কিন্তু তার কথা আর কাজের কোনো মিল ছিল না। তিনমাস পর আমাকে দেশে ফিরে আসতে হয়েছে। এখন আমি ১০ লাখ টাকার ঋণ মাথায় নিয়ে ঘুরছি।’

অভিযোগের বিষয়ে অন্তর বলেন, ‘আমি কোনো সরকারি চাকরি করি না যে, সরকারি চাকরিবিধির পরিপন্থী কোনো কাজ করেছি। আমি যে আইডি দিয়ে সমালোচনা করেছি, সেটা আমার রাইটস আছে। বর্তমানে সেই ফেসবুক আইডিটি ডিজেবল করা আছে। সার্টিফিকেট বাণিজ্যের কথা সঠিক নয়। কাউকে বিদেশ পাঠিয়েছি সেটার প্রমাণ থাকলে নিউজ করুন।’

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ টিটিসির অধ্যক্ষ মো. জাভেদ রহিম বলেন, তার বিরুদ্ধে বেশকিছু অভিযোগের সত্যতা মিললে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিলে তিনি ঠিকভাবে জবাব দিতে পারেননি। পরে বিএমইটির পরিচালক বরাবর চিঠি পাঠিয়েছি।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা