চান্দিনা (কুমিল্লা) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ০০:২৭ এএম
চান্দিনা থানা। ছবি: সংগৃহীত
কুমিল্লার চান্দিনায় পরিকল্পিত হামলার অভিযোগে মামলা করে এখন আতঙ্কে দিন কাটে মাসুদা বেগমের। এর আগে ব্যক্তিগত জায়গায় ময়লা ফেলাকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হামলার ঘটনায় মাসুদা বেগম তার ভাসুরের ছেলে তারিফুল ইসলামকে প্রধান আসামি ও তার স্ত্রী ফারজানা আক্তার, মা কুলসুমা বেগম এবং ভাই আরিফুল ইসলামসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে চান্দিনা থানায় মামলা করেন।
মামলা সূত্রে চান্দিনা থানা পুলিশ তারিফুল ইসলাম ও মোস্তফা কামালকে গ্রেপ্তারও করে। পরে আদালত তাদের শর্তসাপেক্ষ ৭ দিনের জন্য জামিন দিলে আসামিরা জেল হতে বের হয়ে মামলা না তুলে নেওয়ায় প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি আসামিদের নেপথ্যে রয়েছেন তাদের এক বোন ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের কনস্টেবল জনৈক ফারজানা আক্তার পলি।
মামলার এজাহারে মাসুদা বেগমের ছেলে জুলাই যোদ্ধা ইয়াছিন আরাফাত জানান, তিনি বাইরে পড়াশোনা করায় তার মা, ভাই ও বোন গ্রামে একা থাকেন। এই সুযোগে বিবাদীপক্ষ আগেও অন্তত তিনবার তার মায়ের ওপর হামলা চালিয়েছে। তবে সাম্প্রতিক ঘটে যাওয়া ঘটনাটি ছিল সবচেয়ে নিদারুণ ও অমানবিক।
তিনি বলেন, তাদের ব্যক্তিগত জায়গায় ময়লা ফেলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে পূর্বশত্রুতা ছিল। সেই শত্রুতার জেরে গত সপ্তাহে আসামি তারিফুল ইসলামের নেতৃত্বে তার পরিবারের অন্য সদস্যরা তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে গালাগাল শুরু করে। প্রতিবাদ জানালে কুলসুমা বেগম আমার মায়ের চুল ধরে টানাহ্যাঁচড়া করে তাকে উঠানে নিয়ে এসে আসামিরা দলবদ্ধ হয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে লোহার রড দিয়ে তাকে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
ভুক্তভোগী মাসুদা বেগম বলেন, আসামিরা তো সেদিন আমাকে মেরেই ফেলতে চেয়েছিল, পরে স্থানীয়রা এসে আমাকে রক্ষা করে।
ইয়াছিন অভিযোগ করে বলেন, প্রধান আসামির বোন ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের কনস্টেবল ফারজানা আক্তার পলির প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে আসামিরা বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছে।