× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, ছাত্রীর আত্মহত্যা

গোপালগঞ্জ প্রতিবেদক

প্রকাশ : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৭:৩৩ পিএম

আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৭:৪৩ পিএম

মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, ছাত্রীর আত্মহত্যা

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ধর্ষণের অপমানে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী রুপা আক্তারের (১৪) আত্মহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক ও তার সহযোগী নারী শিক্ষিকাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। থানায় মামলা দায়েরের পর শুক্রবার পুলিশ শিক্ষিকা খাদিজা বেগমকে গ্রেপ্তার করে।

এর আগে বৃহস্পতিবার এলাকাবাসী অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান শিকদারকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে শিক্ষার্থী রুপার মা বেবী বেগম বাদী হয়ে শিক্ষক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান শিকদার (৫১) ও সহযোগী শিক্ষিকা খাদিজা বেগমকে (৩০) আসামি করে এ মামলাটি দায়ের করেন।

রুপা আক্তার মুকসুদপুরের বামনডাঙ্গা আয়েশা সিদ্দিকা মহিলা হাফেজিয়া মাদ্রাসার পঞ্চম জামাতের শিক্ষার্থী ছিলেন। সে মুকসুদপুরের বামনডাঙ্গা গ্রামের প্রবাসী কামরুল শেখের মেয়ে। অভিযুক্ত শিক্ষক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান শিকদার বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বারাশিয়া গ্রামের আব্দুল হামিদ শিকদারের ছেলে ও খাদিজা বেগম জেলার মুকসুদপুর উপজেলার বামনডাঙ্গা গ্রামের ফজলু খালাসীর মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার গোহালা ইউনিয়নের বামনডাঙ্গা গ্রামের নিজ বাড়িতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী রুপা আক্তার আত্মহত্যা করে। এর আগে গত ২৬ নভেম্বর ওই মাদ্রাসা ছাত্রী শিক্ষক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান শিকদার কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হন এবং ধর্ষণের চিত্র মোবাইলে ধারণ করে রাখে। আর ভিডিও ধারণ করেছেন মাদ্রাসার অপর মহিলা শিক্ষক খাদিজা বেগম। শিক্ষার্থী রুপাকে ধর্ষণ এবং এ কারণেই সে আত্মহত্যা করেছে বিষয়টি জানাজানি হলে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। 

শিক্ষার্থী রুপার মা বেবী বেগম জানান, গত ২৬ নভেম্বর শিক্ষক মাহমুদুল হাসান মাদ্রাসা ছুটির পর আমার মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। আর এই দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ ও ধর্ষণে সহযোগিতা করে শিক্ষিকা খাদিজা বেগম। আমার মেয়ে বাড়িতে এসে বিষয়টি আমাদের জানায় ও মাদ্রাসায় যাওয়া বন্ধ করে দেয়। লোকলজ্জায় আমরা বিষয়টি চেপে যাওয়ার চেষ্টা করলেও ওই শিক্ষক বারবার তাকে ডেকে পাঠায়। এ কারণে আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। 

মুকসুদপুর থানার ওসি মোস্তফা কামাল জানিয়েছেন, অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক ও শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও আত্মহত্যার প্ররোচনার দায়ে মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা