পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৭:১৩ পিএম
আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৭:১৬ পিএম
রাজশাহীর পুঠিয়া টেলিফোন এক্সচেঞ্জ অফিসের আওতায় পুরো উপজেলায় মোট সংযোগ রয়েছে ৪৬টি। এর মধ্যে সচল রয়েছে ৩৮টি। সফল টেলিফোন লাইনের বিপরীতে প্রতিমাসে সরকারের আয় হয় ৫ হাজার টাকার মতো।
অন্যদিকে প্রতিমাসে সরকারের ব্যয় হয় ৫০ হাজার টাকা। এতে গত ২০ বছরের হিসাব ধরলে সরকারের রাজস্ব আসে ১০ লাখ টাকার মতো অন্যদিকে সরকারের ক্ষতির পরিমাণ আসে এক কোটি ২০ লাখ টাকার মতো। এই হিসাবে সরকার সরাসরি ক্ষতির মুখে পড়ছে এক কোটি ১ লাখ টাকার মতো। তবে রাজশাহী সদরের হিসাব অনুযায়ী লাভ-ক্ষতি সমান সমান হচ্ছে বলে ধারণা করছেন রাজশাহীর বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন লিমিটেডের (বিটিসিএল) উপ-মহাব্যবস্থাপক (টেলিকম) (অ. দা.) মো. সাদিকুর রহমান মাবুদ।
খোঁজ নিয়ে দেখা
গেছে উপজেলাজুড়ে মাত্র তিনজন টেলিফোন লাইন ব্যবহার করেন। এদের মধ্যে একজনের লাইন অকেজো
বলেও জানা গেছে।
অন্যদিকে পুঠিয়া
উপজেলা টেলিফোন এক্সচেঞ্জ অফিসে দায়িত্বরত টেকনিশিয়ান মখলেছুর রহমান বলেন, টেলিফোন
লাইনের কথা খুবই স্পষ্ট এবং ঝরঝরে তবুও মানুষ টেলিফোন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার কারণ
বুঝতে পারছি না। আমাকে এখানে দায়িত্ব দিয়ে রাখা হয়েছে আমি আমার কাজ করছি।
ক্ষতির কথা স্বীকার করে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন লিমিটেড (বিটিসিএল) রাজশাহীর উপ-মহাব্যবস্থাপক (টেলিকম) (অ. দা.) সাদিকুর রহমান মাবুদ বলেন, অন্যান্য বেসরকারি কোম্পানিরা যেভাবে সেবা দিচ্ছে সেভাবে আমরা সেবা দিতে পারছি না, সেই কারণে প্রতিযোগিতায় আমরা পিছিয়ে আছি। তবে আমাদের লাইনের কারণে গ্রামের প্রত্যন্ত এলাকায় ইন্টারনেট সেবা অব্যাহত আছে। সামনে আমাদের বড়সড় পরিকল্পনা রয়েছে। আশা করছি সামনের দিনগুলোতে এমন পরিস্থিতি আমাদের থাকবে না।