× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

না.গঞ্জে একে একে বন্ধ হচ্ছে সুতার কারখানা

নারায়ণগঞ্জ অফিস

প্রকাশ : ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ২২:৫১ পিএম

না.গঞ্জে একে একে বন্ধ হচ্ছে সুতার কারখানা

গার্মেন্টস শিল্পের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জের টানবাজারের ঐতিহ্যবাহী সুতা ব্যবসার দেউটিও একে একে নিভৃতে বসেছে। এক বছরে পাঁচ শতাধিক সুতা কারখানা মালিক ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন। শ্রমিক ছাঁটাই করা হচ্ছে। বিগত সময়ে অনেক গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই সেক্টরের বিরূপ প্রভাব পড়েছে সুতা ব্যবসার ওপর।

ঘন ঘন শ্রমিক ছাঁটাই করলে দেশের জন্য খারাপ হয়ে যাবে বলে মনে করেন বাংলাদেশ ইয়ার্ন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম সোলাইমান হোসেন। তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জের গার্মেন্টস সেক্টরের সঙ্গে আমাদের এ সুতার ব্যবসার সম্পর্ক রয়েছে। গার্মেন্ট সেক্টর যদি ভালো না থাকে, তাহলে আমরা সুতা বিক্রি করব কোথায়? এক্সপোর্ট ভালো না থাকলে গার্মেন্টসের ক্ষতি, আমাদের ক্ষতি।

এম সোলাইমান আরও বলেন, ‘সুতা ব্যবসায়ী অনেক কমে গেছে। শ্রমিকরা কর্মসংস্থান হারাচ্ছেন। প্রতি গদিতে ৮ থেকে ১০ জন শ্রমিক লাগে। সে হিসেবে ১ হাজার ঘর হলে ১০ হাজার শ্রমিক থাকে। তাদের প্রায় অর্ধেক কর্ম নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন। সেইসঙ্গে আরও অনেক সুতা কারখানা আছে। এক বছরে পাঁচ শতাধিক ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন। আমার আশা নির্বাচিত সরকার এলে পরিস্থিতি ভালো হবে। বায়াররা আসতে সাহস করবেন। তারা নিশ্চয়তা পাবেন। ব্যবসা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে।’

জানা গেছে, একসময় সুতার জন্য বিখ্যাত ছিল নারায়ণগঞ্জের টানবাজার। এখান থেকে দেশজুড়ে সরবরাহ হতো বিভিন্ন ধরনের সুতা। কিন্তু সুতার ব্যবসা এখন আর ভালো যাচ্ছে না। ভারতসহ বড় দেশগুলো বন্ডের মাধ্যমে মাল ঢুকিয়ে দিচ্ছে। এতে সুতা ব্যবসায় আরও ক্ষতি হচ্ছে। কোটি কোটি টাকার মালামাল ব্ল্যাকে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। 

সুলতানা আক্তার নামে এক শ্রমিক বলেন, ‘আগে অনেক ওভারটাইম করতাম। এখন ওভারটাইম দূরের কথা কাজই পাই না। তাড়াতাড়ি বাসায় চলে যেতে হয়। আগে বেতন পাইতাম ৩০ হাজার টাকা এখন পাই ১২ হাজার টাকা। যে টাকা পাই, সেই টাকা দিয়ে সংসার চলে না।’

বাংলাদেশ ইয়ার্ন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহসভাপতি সিরাজুল হক বলেন, বহির্বিশ্বের সহযোগিতা না থাকার কারণে আমাদের ব্যবসা মন্দা যাচ্ছে। সুতার ব্যবসা গার্মেন্টসের ওপর নির্ভরশীল। অনেক গার্মেন্টস বন্ধ থাকায় এ ব্যবসায় প্রভাব পড়ছে। আমাদের ধারণা, নির্বাচিত সরকার এলে হয়তো সব ঠিক হয়ে যাবে।

টানবাজারের সুতা ব্যবসায়ী মামুন হোসেন, জুয়েল হোসেন ও মজিবুর রহমান বলেন, বর্তমানে এক-তৃতীয়াংশ ব্যবসা কমে গেছে। কারণ গত বছরের ৫ আগস্টের পর দেশের অনেক মালামাল বাইরে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। বন্ডের ব্যাপারে সরকারকে সতর্ক হতে হবে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা