কুমিল্লা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ নভেম্বর ২০২৫ ২১:০৬ পিএম
কুমিল্লা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকায় (ইপিজেড) নাসা গ্রুপের বিরুদ্ধে পাওনা পরিশোধের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন চাকরি হারানো শত শত শ্রমিক। রবিবার (৩০ নভেম্বর) ইপিজেডের ১ ও ২ নম্বর গেট এলাকায় তারা বিক্ষোভ করেন। গেট এলাকায় যানবাহন চলাচল সাময়িক বন্ধ হয়ে যায়।
শ্রমিকরা জানান, নাসা গ্রুপের পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দুটি কারখানা তিন মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। আর বাকি তিনটি কারখানা থেকে পর্যায়ক্রমে হাজারো শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয়েছে। কিন্তু ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের সার্ভিস চার্জ, আনলিভ, প্রভিডেন্ট ফান্ডসহ কোনো পাওনাই এখনও পরিশোধ করা হয়নি।
বিক্ষুব্ধ শ্রমিকদের অভিযোগ, কোম্পানি প্রথমে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল গতকাল রবিবারের মধ্যে সব পাওনা পরিশোধ করা হবে। কিন্তু এখন মাত্র ২৫ শতাংশ পরিশোধের কথা বলা হচ্ছে। এতে বাকি ৭৫ শতাংশ আদায় নিয়েও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। অনেকে জানান, সার্ভিস চার্জ বাবদ বড় ধরনের অনিয়ম হয়েছে এবং প্রভিডেন্ট ফান্ডের চেক ইস্যু করলেও ব্যাংক থেকে টাকা পাওয়া যাচ্ছে না।
নাসা গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক মেজর আব্দুল হাফিজ বলেন, ৩০ নভেম্বর (রবিবার) বেতন-ভাতা দেওয়ার কথা থাকলেও কোম্পানি বর্তমানে বড় চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে। সমস্যা সমাধানে কাজ চলছে।
কুমিল্লা ইপিজেডের ব্যবস্থাপক (জিএম) আব্দুল্লাহ আল মাহবুব বলেন, সকাল থেকেই আমরা শ্রমিক ও মালিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছি এবং বিষয়টির সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়েছি। মালিক পক্ষের সঙ্গে কথা বলে আজ (রবিবার) দুপুরে প্রায় ২৫ শতাংশ বকেয়া বেতন তাদের অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয়েছে। অবশিষ্ট ৭৫ শতাংশ বকেয়ার ক্ষেত্রে আদালতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করা হবে। আমরা বিষয়টি শ্রমিকদের বুঝিয়েছি।